ডিমেরিট পয়েন্ট পেল মিরপুরও

প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮     আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮      

ক্রীড়া প্রতিবেদক

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম— ফাইল ছবি

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের প্রথম টেস্ট আর ঢাকার শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের দ্বিতীয় টেস্ট— ব্যাট-বলের লড়াইয়ে বিপুল বৈপরীত্য থাকলেও নেতিবাচকতায় মিলে গেল একবিন্দুতে। দুই পিচকেই 'গড়পড়তার নিচে' অভিহিত করে একটি করে ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছে আইসিসি।

চট্টগ্রামে ব্যাটসম্যানরা প্রচুর সুবিধা পেয়েছিলেন। বোলারদের জন্য কিছুই ছিল না। মিরপুরের অনেকটা একই ধরনের মূল্যায়ন; পার্থক্য কেবল ব্যাটসম্যানের জায়গায় বোলার, আর বোলারের জায়গায় ব্যাটসম্যান।

এ বছরের ৪ জানুয়ারি থেকে হালনাগাদকৃত বিধি অনুসারে, কোনো পিচ যদি ১২ মাস সময়ের মধ্যে পাঁচ বা তার বেশি ডেমেরিট পায় (হোক একসঙ্গে বা একাধিকবারের যোগফলে), তাহলে পরবর্তী এক বছর ওই মাঠে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করা যাবে না।

৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া মিরপুর টেস্টের স্থায়িত্ব ছিল আড়াই দিন। এ সময়ের মধ্যে দুই দল হারিয়েছে ৪০ উইকেট, রান উঠেছে ৬৮১।

ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন তার রিপোর্টে বলেন, 'প্রথম দিন থেকেই উইকেটের আবরণ ভাঙতে শুরু করে, যার কারণে ম্যাচজুড়ে ছিল অসম বাউন্স। ছিল অনিয়মিত টার্ন, মাঝেমধ্যে অতিরিক্ত টার্নও। এই পিচে বোলাররা খুব বেশি সুবিধা পেয়েছেন, অন্যদিকে ব্যাটসম্যানরা তাদের দক্ষতাই দেখাতে পারেননি।'

এর আগে চট্টগ্রাম টেস্টের ক্ষেত্রে ঠিক একই ধরনের কথাই বলা হয়েছিল কেবল 'ব্যাটসম্যান' ও 'বোলার' শব্দগুলো অদলবদল করে। ড্র হওয়া সেই ম্যাচের চার ইনিংসের মধ্যে তিন ইনিংসও শেষ হয়নি। রান উঠেছিল ১৫৩৩, পাঁচ দিনে উইকেট পড়েছিল ২৪টি।