সিরিজ জিতলে সান্ত্বনা কেবল ৬ রেটিংয়ে

প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮      

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রথম টি-টোয়েন্টির আগে অনুশীলনে টাইগাররা— সমকাল

হতাশার ঢাকা টেস্টের পর একই মাঠে বৃহস্পতিবার টি-টোয়েন্টি, যে ফরমেটে বাংলাদেশের সুখস্মৃতির চেয়ে আক্ষেপই বেশি। অধিনায়ক সাকিব আল হাসানসহ একাধিক সিনিয়র ক্রিকেটারের অনুপস্থিতির সম্ভাবনা মিলিয়ে এ মুহূর্তে আশাব্যঞ্জক অবস্থাও নেই।

তবে আশাবাদের যেটুকু, তাও টি-টোয়েন্টি ফরমেট বলেই। ২০ ওভার করে ৪০ ওভারের ম্যাচ, একটি-দুটি ওভারেই বদলে যেতে পারে গতিপথ। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন তারুণ্যনির্ভর এই দলকে নিয়ে জয়ের আশা তাই দেখাই যায়। বৃহস্পতিবারের ঢাকার টি-টোয়েন্টি আর রোববারের সিলেটের টি-টোয়েন্টির এই সিরিজে যদি জয় পায় বাংলাদেশ— দলের ভাণ্ডারে অর্জন হবে কতটুকু?

প্রথম কথা হচ্ছে, মোটা দাগের কোনো অর্জন হবে না। সিরিজ জিতলেও র‌্যাংকিংয়ের অবস্থান এগোবে না। কারণ ১০ নম্বরে থাকা বাংলাদেশ ৯ নম্বরের আফগানিস্তান থেকে বেশ কিছুটা পিছিয়ে। বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ৭৬, আফগানিস্তানের ৮৮। আট নম্বরে থাকা শ্রীলংকার রেটিং পয়েন্টও ৮৮।

বাংলাদেশ দল যদি দুটি ম্যাচেই জয় পায়, বাড়বে কেবল রেটিং পয়েন্ট, ৭৬ থেকে ৮২। এ ক্ষেত্রে ৪ পয়েন্ট খোয়া যাওয়ায় বড় ক্ষতি হবে শ্রীলংকার, নেমে যাবে র‌্যাংকিংয়ের ৮ থেকে ৯-এ। আবার এক ম্যাচ হারলেও আফগানিস্তানের চেয়ে পিছিয়ে যাবে লংকানরা। তখন বাংলাদেশের পয়েন্ট হবে ৭৭, শ্রীলংকার ৮৮ থেকে না কমলেও ভগ্নাংশের ব্যবধানে পিছিয়ে যাবে। অপরদিকে শ্রীলংকা যদি দুটি ম্যাচেই জয় পায়, বাংলাদেশের রেটিং কমবে চারটি। ১১ নম্বরে থাকা স্কটল্যান্ডের সঙ্গে তখন ব্যবধান দাঁড়াবে মাত্র ৫ পয়েন্টে।

১৩ ফেব্রুয়ারির হালনাগাদ করা র‌্যাংকিং অনুসারে, ১২৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে টি-টোয়ন্টির এক নম্বর দল এখন পাকিস্তান। দুইয়ে থাকা নিউজিল্যান্ডের রেটিং পয়েন্ট ১২২। আর তিন ও চারে থাকা ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার রেটিং পয়েন্ট ১২১ করে।