ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

কীভাবে দলবদলের ‘মিস্টার এক্সক্লুসিভ’, জানালেন ফ্যাবরিজিও

কীভাবে দলবদলের ‘মিস্টার এক্সক্লুসিভ’, জানালেন ফ্যাবরিজিও

ফুটবল দলবদল বিশেষজ্ঞ সাংবাদিক ফ্যাবরিজিও রোমানো। ছবি: ফোর ফোর টু

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৩ | ০৯:২২ | আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০২৩ | ০৯:২৪

ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ের লিগগুলোর ট্রান্সফার মার্কেট তুমুল জনপ্রিয়। কোন ফুটবলার কোথায় যাচ্ছেন, কত টাকায় যাচ্ছেন, চুক্তি কত বছরের এসব খবরে ফুটবল ভক্তরা মজে থাকেন। শীর্ষস্থানীয় সংবাদ মাধ্যম গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করে এই সংবাদ। আর প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যমের বিশ্বস্ত সূত্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ফ্যাবরিজিও রোমানো। 

স্পেন, ইংল্যান্ড টু ইতালি, জার্মানি ভায়া ফ্রান্স, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ডস টু ব্রাজিল, সৌদি আরব; ফুটবল দলবদলের খবর মানেই ইতালির সাংবাদিক ফ্যাবরিজিও রোমানো। তিনি যেন এই ভুবনের ‘সর্বজান্তা’। সেজন্য তাকে ফুটবল দলবদল বিশেষজ্ঞ বলা হয়। কীভাবে এতো ব্রেকিং, এক্সক্লুসিভ তথ্য দেন তিনি। সংবাদ সাময়িকী ফোর ফোর টু’কে এক সাক্ষাৎকারে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ৩০ বছর বয়সী সাংবাদিক রোমানো। 

তিনি বলেছেন, ‘আমার বয়স তখন ১৬ কিংবা ১৭ হবে; আমি ইতালির ছোট্ট একটা ওয়েবসাইটে ফুটবল নিয়ে লেখা শুরু করি। স্পেনের কিছু চুক্তি ও এজেন্ট নিয়ে কাজ শুরু করি। বার্সেলোনার দ্বিতীয় দল নিয়ে কিছু কাজ করি। মাউরিসিও ইকার্দির এজেন্টের সঙ্গে কাজ শুরু হয়। ইকার্দি তখন বেশ ছোট এবং সে বার্সা ছাড়ার চেষ্টা করছে।’ 

ফ্যাবরিজিও বলেন, ‘আমি নিউজ করি যে, ইকার্দি বার্সা থেকে সাম্পাদোরিয়া যাচ্ছে। পরে ইন্টার তার সঙ্গে চুক্তি করে। সেটাও ছিল আমার দেওয়া খবর। এভাবেই শুরু। ইকার্দি আমার প্রথম বিগ স্কুপ।’ এই সময়ের মধ্যে রোমানো বড় বড় সব ট্রান্সফারের খবর দিয়েছেন। মেসি, নেইমার, এমবাপ্পে, রোনালদো কেউ যেন তার ধরছোঁয়ার বাইরে নন। তবে গত মৌসুমে মার্ক কুকুরেল্লার দলবদলের খবর দিয়ে বিব্রত হয়েছিলেন তিনি। 

ঘটনার বর্ণনায় রোমানো বলেন, ‘মার্ক কুকুরেল্লা আমার ক্যারিয়ারের ভুলতে না পারার মতো ঘটনা। ব্রাইটন ছেড়ে সে চেলসি যাচ্ছে এই খবর আমি দেই। এরপর ব্রাইটন তা অস্বীকার করে। কিন্তু আমি আমার সোর্সের প্রতি নির্ভার ছিলাম। সত্যি বলতে, এটা আমার ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত। আমি বুঝতে পারি, আমার সঙ্গে কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে, এটা সামাজিকভাবে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।’ 

দলবদল বিষয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র হয়ে ওঠায় বড় কোন ইস্যু আসলেই ফ্যাবরিজিও’র দিকে তাকিয়ে থাকে ভক্তরা। তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১৬ মিলিয়ন ফরোয়ার আছে। তাদের প্রত্যাশা মেটাতে হয়। ট্রান্সফার নিয়ে আপডেট তথ্য দিতে হয়। ব্রেকিং, এক্সক্লুসিভ তথ্য দিতে হয়। কীভাবে পারেন এই ইতালিয়ান সাংবাদিক। 

রোমানো ব্যাখ্যায় বলেন, ‘আমি ২০ ঘণ্টা করে কাজ করি, দলবদলের মৌসুমে প্রতিদিন এভাবে ব্যস্ত থাকি। এটা অতটা পরিশ্রমের কাজ নয়। হ্যা, সময়ের বিবেচনায় এটা কঠিন। কিন্তু একইসঙ্গে এটা আমার স্বপ্নের চাকরিও। আমি ফুটবলের সঙ্গে কাজ করি, এটা আমার স্বপ্ন। মানুষ প্রতিদিন আমার নিউজ যেভাবে ফলো করে, সত্যি আমার খুব অবাক লাগে, বিস্মিত হই আমি। ফুটবল ভক্তরা আমাকে ভালোবাসে, আবার উল্টো ঘটনাও ঘটে। তবে এটাকে আমি কাজের অংশ মনে করি।’

আরও পড়ুন

×