যে কারণে ডমিঙ্গোকে বেছে নিল বিসিবি

প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

ছবি: ফাইল

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ শেষেই স্টিভ রোডসকে বিদায় করে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শ্রীলংকা সফরে জাতীয় দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। আফগানিস্তান সিরিজের আগে শনিবার সাকিব-মুশফিকদের প্রধান কোচ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার রাসেল ডমিঙ্গোর নাম ঘোষণা করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। বাংলাদেশের কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন নিউজিল্যান্ডের মাইক হেসন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মিকি আর্থার। দু'জনই অভিজ্ঞ। বিসিবি তাদের রেখে রাসেল ডমিঙ্গোকে বেছে নিল কেন। উত্তর দিয়েছেন বোর্ড সভাপতি পাপন।

তিনি আনুষ্ঠানিক কোচের নাম ঘোষণা করে বলেন, 'আমরা এমন কাউকে খুঁজছিলাম যাকে পুরো সময়ের জন্য পাওয়া যাবে। আমাদের হাতে আরও প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু তারা এখনই পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত নন। আমরা এমন কোচ চাচ্ছিলাম দল নিয়ে যার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা আছে। সব কিছু মিলিয়ে রাসেল ডমিঙ্গোর সঙ্গে আমাদের সমঝোতা হয়েছে। তিনি দীর্ঘমেয়াদি ছুটিও চাননা।'

বাংলাদেশ দলের সঙ্গে কাজ করতে ডমিঙ্গো পরিষ্কার ধারণা নিয়ে এসেছেন বলে জানিয়েছেন বোর্ড সভাপতি পাপন। কোচিং নিয়ে ডমিঙ্গোর আবেগ, তার কোচিং দর্শন ভালো লেগেছে বোর্ডের। এছাড়া তার অভিজ্ঞতার ভান্ডারও সমৃদ্ধ। বিসিবি কর্তা নাজমুল হাসান পাপন বলেন, 'ভেবে খুবই ভালো লাগছে যে, অনেক বড় বড় কোচ বাংলাদেশ দলের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। অনেক নামি কোচের থেকে একজনকে বেছে নেওয়া কঠিন ছিল। কোচ নিতে আমরা বেশ কিছু দিকে খেয়াল রেখেছি। তার মধ্যে অন্যতম কোচ দলকে কতটা সময় দিতে পারবেন। অনেকে এই মুহূর্তে দলের দায়িত্ব নিতে পারবেন না। ডমিঙ্গোর সঙ্গে বোর্ডের দুই বছরের চুক্তি হয়েছে। আলাদা ছুটি চান না বলে ডমিঙ্গো আমাদের জানিয়েছেন। সেজন্য আমরা তাকেই নিয়োগ দিয়েছি।'

ডমিঙ্গো ২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার টি-২০ দলের দায়িত্ব নেন। ২০১৩ সালে তিন ফরম্যাটের কোচ হন। ২০১৪ টি-২০ বিশ্বকাপে এবং ২০১৫ অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে দলকে সেমিফাইনালে তোলেন তিনি। এবি ডি ভিলিয়ার্সের নেতৃত্বে ২০১৫ বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠার বড় দাবিদার ছিল প্রোটিয়ারা। বাংলাদেশ দলের কোচ হয়ে তিনি পুরনোদের সঙ্গে নতুন ক্রিকেটার তুলে আনায় জোর দেবেন বলে জানান।

ডমিঙ্গো বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পাওয়া বড় সম্মানের। বাংলাদেশ দলের উত্থানের সময়টা আমি খুব আগ্রহ ভরে দেখেছি। বাংলাদেশের যে লক্ষ্য ছোঁয়ার সামর্থ্য আছে সেটা পূরণ করতে আমি সহায়তা করতে চাই। দলে যে ক্রিকেটার আছেন তাদের সঙ্গে পাইপলাইন থেকে নতুন কিছু ক্রিকেটার তুলে আনায় নজর দিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের উন্নতির পথ চলমান রাখতে চাই।'