ব্যাটসম্যানদের পথ এগিয়ে দিলেন বোলাররা

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯     আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

ছবি: বিসিবি

বাংলাদেশের সঙ্গে আফগানিস্তানেরও ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেছে। তারপরও চট্টগ্রামে শনিবারের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটা দু'দলের মর্যদার লড়াই। টি-২০ ক্রিকেটে আফগান জুজু কাটানোর ম্যাচে টস জিতে বোলিং নেয় বাংলাদেশ। ব্যাটে নামা আফগানিস্তান দারুণ শুরু করে। ওপেনিং জুটিতে তারা তুলে ফেলে ৭৫ রান। এরপর আফিফ হোসেন জোড়া আঘাত হানেন। পরে সাকিব-মুস্তাফিজরা চেপে ধরেন আফগানদের। সেই ধাক্কা সামলে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রানের বেশি করতে পারেনি সফরকারীরা।

আফগানিস্তানের হয়ে হযরতউল্লাহ জাজাই ভালো ব্যাটিং করেন। তিনি ৩৫ বলে দুই ছক্কা এবং ছয়টি চারে আফিফের বলে ৪৭ রান করে আউট হন। একই ওভারে আগসর আফগান ফিরে যান রানের খাতা খোলার আগেই। পরের ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান এসে তুলে নেন অন্য ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজকে। তিনি করেন ২৯ রানে। এরপর দলের শতরানের আগেই ফিরে যান মোহাম্মদ নবী-গুলবাদিন নাঈবরা।

আফগানিস্তান তখন নাজিবুল্লাহ জাদরানে ভরসা খুঁজছিল। কিন্তু বাঁ-হাতি এই আফগান ব্যাটসম্যান ১৪ রান করে দলকে আরও বিপদে ফেলে চলে যান। পরে শফিকুল্লাহ শফিক এবং রশিদ খান কিছু রান যোগ করেন। শফিকুল্লাহ করেন ২৩ রান। রশিদ খানের ব্যাট থেকে আসে ১১ রান।

বাংলাদেশ দলের হয়ে আফিফ হোসেন ৩ ওভারে ৯ রান নিয়ে নেন ২ উইকেট। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন তার ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। সাকিব আল হাসান ও শফিউল ইসলাম ৪ ওভারে সমান ২৪ রান দিয়ে একটি করে উইকেট নেন। মুস্তাফিজ বেশ খরুচে বোলিং করেন। তিনি ৩ ওভার হাত ঘুরিয়ে খরচা করেন ৩১ রান। নেন একটি উইকেট।

এর আগে ঢাকার ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ। ওই ম্যাচের দলে তাই তিন পরিবর্তন নিয়ে চট্টগ্রামে আসে বাংলাদেশ। এরপর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় পায় সাকিবরা। এবার আবার আফগান চ্যালেঞ্জ টাইগারদের। জিম্বাবুয়ে অবশ্য শুক্রবারের ম্যাচে রশিদ খানদের হারিয়ে প্রমাণ করেছে কাজ খুব একটা কঠিন নয়।

বাংলাদেশ দলে এ ম্যাচে এসেছে এক পরিবর্তন। বাঁ-হাতে চোট পাওয়া আমিনুল ইসলাম নেই দলে। তার জায়গায় আবার দলে ফিরেছেন সাব্বির রহমান। বাংলাদেশ দলে তিন পেসারের সঙ্গে আছেন স্পিনার সাকিব আল হাসান। বাকি চার ওভার বোলিং তাই মাহমুদুল্লাহ-মোসাদ্দেক, আফিফদের করতে হবে।