ফাইনালেও ওপেনিংয়ে শান্ত?

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

ছবি: বিসিবি

অনূর্ধ্ব-১৯ দলে দারুণ পারফরম্যান্স করে আলোয় আসেন নাজমুল হোসাইন শান্ত। ঘরের মাঠে মেহেদি মিরাজের নেতৃত্বে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে দারুণ ব্যাটিং করেন নাজমুল শান্ত। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করার দরুণ জায়গা পান প্রথমে টেস্ট এবং পরে ওয়ানডে দলে। কিন্তু নিজেকে প্রমাণ করতে পারেননি নাজমুল। তবে বাংলাদেশ 'এ' দল, ইমার্জিং দলে ভালো খেলে ত্রিদেশীয় টি-২০ সিরিজের শেষ তিন ম্যাচের জন্য আবার দলে ঢোকেন নাজমুল শান্ত।

কিন্তু শুরুর দুই ম্যাচে আবার ব্যর্থ হয়েছেন নাজমুল হোসাইন শান্ত। প্রথম ম্যাচে ১১ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ৫ রান করে আউট হন তিনি। শুরুতে একজন ক্রিকেটার ব্যর্থ হতেই পারেন। কিন্তু তাকে দলে নেওয়ার পেছনে থাকতে হবে যথেষ্ঠ কারণ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে সর্বশেষ এশিয়া কাপে তার ওয়ানডে অভিষেক হয়। ওয়ানডে দলে জায়গা পাওয়ার পেছনে নির্বাচকদের হাতে কারণ ছিল। কিন্তু টি-২০ দলে ডাক পাওয়া এবং তার অভিষেক হওয়ার পেছনে শক্ত যুক্তি দেওয়া নির্বাচকদের জন্য কঠিন।

কারণ নাজমুল হোসাইন ঘরোয়া লিগ, বিপিএল মিলিয়ে টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন ৪২টি। অর্ধশকত তার মাত্র একটি। সর্বোচ্চ ৫৪ রানের ইনিংস আছে টি-২০তে তার। গড় মাত্র ১৭.১১। স্ট্রাইক রেটও খুব আশা জাগানিয়া নয়, ১১৩.৮৭। সর্বশেষ শ্রীলংকার বিপক্ষে ৫০ ওভারের ম্যাচে ইমার্জিং দলের হয়ে ভালো খেলেছেন নাজমুল। তাই হয়তো দলে ঢুকেছেন তিনি। কিন্তু সেখানে টি-২০ দলে ডাক পাওয়া এবং অভিষেক হয়ে যাওয়ার মতো কিছুই করেননি নাজমুল।

অন্যদিকে নাজমুল জাতীয় দলের হয়ে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে মাত্র ২০ রান করেছেন। দুই টেস্টে ৪ ইনিংস তার রান ৪৮। সর্বোচ্চ ১৮। তার টেস্ট অভিষেক অবশ্য নিউজিল্যান্ডে দলের অন্যদের ইনজুরি থাকায় হুট করেই হয়ে যায়। তারপরও টেস্ট-ওয়ানডে ক্রিকেটে শুরুতে খারাপ করলেও নাজমুল আবার দলের দরজায় কড়া নেড়েছে।

কারণ ২১ বছর বয়সের মধ্যেই তিনি ৯২টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। প্রায় ৩৭ গড়ে ৮৪.৫০ স্ট্রাইক রেটে ২৮৮৫ রান করেছেন। ছয়টি সেঞ্চুরি ও ফিফটি আছে ১২টি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৫ ম্যাচে ৫৮ ইনিংসে তার রান ২২৯৩। সর্বোচ্চ ১৯৪ রান, গড় ৪৬.৬৯। ছয়টি সেঞ্চুরির সঙ্গে ফিফটি ১০টি। নাজমুল তাই এই দুই ফরম্যাটে বেশি বেশি সুযোগ পত্যাশা করেন। কিন্তু তাকে টি-২০ ক্রিকেটার বানানোর চেষ্টা অমূলক।