ইন্দোরের উইকেট পেস বোলিং সহায়ক!

প্রকাশ: ১২ নভেম্বর ২০১৯     আপডেট: ১২ নভেম্বর ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

ছবি: এএফপি

দেশের বাইরে পেস বোলিং সহায়ক উইকেটে ভারত এখন আর ভয় পায় না। ব্যাটিংয়ে বিরাট কোহলি, চেতেশ্বর পূজারা, আজিঙ্কা রাহানেরা সেই ভয়কে জয় করেছেন। পেস বোলিংয়ে জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ শামি, উমেশ যাদব কিংবা ইশান্ত শর্মারা নিদেদের প্রমাণ দিয়েছেন। ভারত তাই ঘরের মাঠেও এখন পেস সহায়ক উইকেট বানায়। সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে স্পিন সহায়ক উইকেট হলেও দারুণ বোলিং করেছেন ভারতের পেসাররা। তাদের বোলিং আক্রমণের সবাই আছে র‌্যাংকিংয়ে ২৫ এর মধ্যে।

ইনজুরির কারণে দলের বাইরে থাকা জাসপ্রিত বুমরাহ চতুর্থ সেরা টেস্ট বোলার। মোহাম্মদ শামি বোলিং র‌্যাংকিংয়ে আছেন ১৫ তে। ইশান্ত শর্মা এবং উমেশ যাদব যথাক্রমে ২২ ও ২৪ র‌্যাংকিংয়ে আছেন। অন্যদিকে স্পিন আক্রমণ সামলানো রবিশচন্দন অশ্বিন আছেন র‌্যাংকিংয়ে ১০ এ। রবিন্দ্র জাদেজা টেস্টের দ্বিতীয় সেরা অলরাউন্ডার। বোলিংয়ে আবার ১৪তম র‌্যাংকিংয়ে আছেন তিনি। যে কোন উইকেটে ভারতের এই বোলিং লাইন আপের বিপক্ষে পেরে ওঠা দুষ্কর।

ছবি: ফাইল

ইন্দোরের হলকার স্টেডিয়ামের উইকেট বানাতে কিউরেটর সমাদ্দর সিং চৌহান লাল মাটি ব্যবহার করছেন চার বছর ধরে। লাল মাটির উইকেটের বৈশিষ্ট্য হলো এখানে পেস বোলিং ভালো হয়। সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, 'লাল মাটির উইকেটে বাউন্স বেশি হয়। পেসাররা এখনে সুবিধা পান। আবার ব্যাটসম্যানরা নিজেদের ঠিক মতো প্রয়োগ করতে পারলে ভালো স্টোকও খেলার সুযোগ পায়। এটা এমন এক উইকেট যেখানে সবার জন্যই কিছু না কিছু আছে।'

সর্বশেষ ইন্দোরের হলকার স্টেডিয়ামে রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে বিদর্ভ এবং দিল্লি মুখোমুখি হয়। সেখানে প্রথম ইনিংসে দুই দলের পেসাররা সুবিধা পান। দ্বিতীয় ইনিংসে আবার স্পিনাররা ভালো করেন। চার দিনের ওই ম্যাচে দুই সেঞ্চুরি এবং সাতটি হাফ সেঞ্চুরি পায় দুই দলের ক্রিকেটাররা। ঘরের মাঠে সিরিজে স্বাগতিক দল সাধারণত তাদের পছন্দ মতো উইকেট বানায়। টেস্টে এই প্রভাব আরও বেশি থাকে।

ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টও ইন্দোরের উইকেট কেমন হবে সেই চাহিদার কথা কিউরেটর ও মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন কতৃপক্ষকে জানায়। কিন্তু ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের সেই অনুরোধ রাখেনি কতৃপক্ষ। তবে ভারত ঘরের মাঠে পেসাররা উইকেট থেকে সুবিধা আদায় করে নিতে পারবে। সেখানে বাংলাদেশ টেস্টে অধিকমাত্রায় স্পিন নির্ভর। প্রথম টেস্টে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে এটাই।