কোপা দেল রে'র কোয়ার্টার ফাইনালে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে হেরে বিদায় নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। রিয়াল সোসিয়েদাদ ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে জিনেদিন জিদানের দলকে। মেসিরা তখন কেবল মাঠে নেমেছেন। তাদের সামনে সুযোগ ছিল রিয়ালের বিদায়ের দিনে কোপা দেল রে'র সেমিফাইনালে ওঠার। কিন্তু অ্যাথলেটিকো বিলবাওয়ের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে বার্সাও।

ম্যাচের যোগ করা সময়ে বুসকেটসের আত্মঘাতী গোলে বিদায় নিতে হয়েছে কাতালানদের। হারের পরই যেন টনক নড়েছে বার্সার। দলের মধ্যে আর কাঁদা ছোড়াছুড়ি না করার অনুরোধ করেছেন বার্সা ফুটবলাররা। অনেকে আবার মনে করছেন, কাতালানদের এই হারের পেছনে মেসি-আবিদাল দ্বন্দ্বের প্রভাব আছে।

বার্সার সিনিয়র ফুটবলারদের কথা শুনে বোঝা যায়, দলের মধ্যেও কেউ কেউ বিশ্বাস করেন, হারে আবিদালের সঙ্গে মেসির দ্বন্দ্বের প্রভাব পড়েছে। তবে সার্জিও বুসকেটস, জেরার্ড পিকেরা এমনটা মনে করেন না। তাদের মতে, এই হারের পেছনে ওই কথা কাটা-কাটির কোন ভূমিকা নেয়। বরং নিজেরা সেরাটা খেলতে না পারায় হেরেছে দল।

সার্জিও বুসকেটস বলেন, 'আমরা আগের লিগ ম্যাচটা জিতেছি। কিন্তু এটাতে পারিনি। দলের সবার জন্য এটা মন খারাপের দিন। আমরা এভাবে বিদায় নিতে চাইনি। আমাদের সামনে এখনও দুটি শিরোপা জয়ের সুযোগ আছে। তার জন্য আমরা লড়াই করতে চাই। আমি মনে করি না, আমাদের এই হারের পেছনে মেসি-আবিদালের বিষয়টি সম্পৃক্ত নয়।'

ওদিকে জর্ডি আলবা হারের পর মেসির সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন। আবিদালের সমালোচনা করেছেন, 'বাইরের লোক ক্লাবের দিকে কাঁদা ছোড়া-ছুড়ি করছে। কিন্তু আমরা খেলোয়াড়রা নিজেদের মধ্যে এটা  করতে পারি না। আবিদাল একজন ফুটবলার ছিলেন। তার বোঝা উচিত তার এমন কথা-বার্তা ড্রেসিংরুমে কেমন প্রভাব ফেলে।'

জেরার্ড পিকে আবার হারের কারণে আবিদালকে দায়ী করতে রাজী নন। তিনি বলেন, 'এটা ভিন্ন কিছু ইঙ্গিত করে কথা বলার সময় নয়। বার্সার ড্রেসিংরুম একত্রিত। বাদ পড়ে যাওয়া সবসময়ই খারাপ। আমরা ড্রেসিংরুমে আলোচনা করেছি, যে ম্যাচটা আমরা ভালো খেলেছি। দল হয়ে আবার আমাদের জয়ের ধারায় ফিরতে হবে।'