হা করেও নিঃশ্বাস নিতে পারতাম না: দিবালা

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকার সঙ্গে দিবালা। ছবি: ফাইল

প্রেমিকার সঙ্গে দিবালা। ছবি: ফাইল

কারও কি সাধ জাগে প্রাণঘাতী করোনাকে নিয়ে গল্প বলতে। নিশ্চয়ই না! কিন্তু এই ভাইরাসকে যারা কাছ থেকে দেখেছেন, যারা দিনের পর দিন এর বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, তারা যে খুব সহজে ভুলতে পারবে না এই করোনাকে। কেননা ওই সময়টা তার কাছে ছিল পুরোই ভিন্ন। জীবনে চলার পথে হয়তো এতটা কষ্ট এতটা যুদ্ধ আগে তাকে করতে হয়নি। জুভেন্তাসের আর্জেন্টাইন তারকা পাওলো দিবালাও তাদের একজন।

যিনি কি-না এই ভয়ংকর ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে জয়ের বন্দরে নোঙর করেছেন। পাশাপাশি সে দুঃসহ বেদনার ক্ষণগুলো সবার সঙ্গে শেয়ারও করেছেন। শুক্রবার জুভেন্তাস টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের করোনা-জয়ের গল্পটাই বলতে গিয়ে অনেকটা আবেগি হয়ে পড়েন। চোখেমুখে রাজ্যের হতাশা নিয়ে জানালেন খুব কষ্টে কেটেছিল ওই দিনগুলো। একই দিনে তার বান্ধবী অরিয়ানার রেজাল্ট পজিটিভ আসে।

তাতেই নড়েচড়ে বসে জুভেন্তাস। বাকিদের পাঠানো হয় আইসোলেশনে। অবশ্য দিবালার সেরে উঠতে বেশি দিন লাগেনি। কিন্তু অল্প দিনেই কাহিল করে ছেড়েছে এই আর্জেন্টাইনকে। তার কণ্ঠে, 'কঠিন কিছু উপসর্গের পর এখন ভালোই আছি। আগের চেয়ে অনেকটা স্বাভাবিক। ক'দিন আগেও ঠিকভাবে নড়াচড়া করতে পারতাম না। পাঁচ মিনিট পর পরই শরীর আটকে যেত। বিশেষ করে শ্বাস নিতে খুব কষ্ট হয়েছিল। এখন সাধারণভাবে নড়াচড়া করতে পারি, হাঁটতে পারি। এমনকি অনুশীলনে ফেরারও চেষ্টা করছি।'

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর পরই এর উপসর্গ দেখা যায় না। ১৪ কিংবা তার চেয়ে বেশি দিন পর মানবদেহে এটা পুরোপুরি কাজ শুরু করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই মতের মিল পেয়েছেন দিবালাও। তবে প্রচণ্ড শরীর ব্যথা তাকে অনেকটা কষ্ট দিয়েছে, 'আমি চেয়েছিলাম হা করে নিঃশ্বাস নিতে। কিন্তু পারিনি। কিছুক্ষণ পর পরই আমি খুব ক্লান্ত হয়ে পড়তাম। পুরো শরীর ব্যথার সঙ্গে মাংসপেশিতে তীব্র কষ্ট অনুভব হতো। যাক এখন সেগুলো থেকে মুক্ত। আমার বান্ধবী অরিয়ানাও এসব উপসর্গ পার করে ফেলেছে।'

লিগ বন্ধ হওয়ার আগে সর্বশেষ গোলটা করেছিলেন ইন্টারের বিপক্ষে। অ্যারন রামসের অ্যাসিস্ট থেকে দারুণ গোলটি এখনও মনে পড়ছে দিবালার, 'ইন্টারের বিপক্ষে গোলটির কথা মনে করতেই ভালো লাগছে। রামসের চমৎকার একটা অ্যাসিস্ট ছিল।'