করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের প্রায় সব ক্রীড়া আয়োজন বন্ধ আছে। বাংলাদেশের ঘরোয়া লিগ এবং পাকিস্তানও  আয়ারল্যান্ড সফর স্থগিত হয়েছে। সাকিব অবশ্য নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলার মধ্যে নেই। দেশ থেকে গত ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রে স্ত্রী-কন্যার কাছে যান সাকিব।

কিন্তু করোনাভাইরসের কারণে কাছে নিতে পারেনি পারেননি কন্যা আলাইনাকে। সাকিব যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েই নিজে থেকে আইসোলেশনে যান। উইচকনসিনে যুক্তরাষ্ট্রের যে বাসায় স্ত্রী-কন্যা থাকেন তার নিকটে এক হোটেলকে আইসোলেশন হিসেবে বেছে নেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। বাসা থেকে যা মাত্র পাঁচ মিনিট হাঁটা পথের দূরত্ব। সেখান থেকে সাকিব দুই সপ্তাহের আইসোলেশন শেষ করে পরিবারের কাছে ফিরেছেন।

তবে সাকিব যুক্তরাষ্ট্রে ঘরবন্দি থাকলেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলয়া দেশের জন্য তার কাজ থেমে নেই। তিনি দেশের দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ‘দি সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’ খুলেছেন। বাংলাদেশ এবং অন্য দেশ থেকে তার ওই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে করোনা মোকাবিলায় অর্থ সংগ্রহ করছে। ওই অর্থ তিনি ‘মিশন সেভ বাংলাদেশের’ ফান্ডে প্রদান করবেন।

এছাড়া করোনা পরীক্ষার টেস্ট কিট দেওয়ার জন্য কনফিডেন্স গ্রুপকে নিয়ে সাকিব নেমেছেন নতুন মিশনে। নিজের ফেসবুক পেইজে এ ঘোষণা দিয়ে শুক্রবার সাকিব বলেন, আমি খুবই গর্বের সঙ্গে আপনাদের জানাচ্ছি যে, কনফিডেন্স গ্রুপ সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের সঙ্গে মিলে সর্বমোট ২০ লাখ টাকার একটি ফান্ড গঠনে সহায়তা করেছে। এই ফান্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বেশ কিছু স্বনামধন্য হাসপাতাল ও মেডিকেল ইনস্টিটিউটকে টেস্টিং কিটের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।