করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্রিকেট খেলুড়ে অধিকাংশ দেশেই চলছে লকডাউন। সব ধরণের ক্রিকেট বন্ধ। কিছু দেশ অবশ্য অনুশীলনে ফিরেছে। লকডাউনের কারণে বাইরে যেতে পারছেন না ক্রিকেটাররা। তাদের হাতে তাই তুলনামূলক সময় কম। বাড়তি ওই সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই দিচ্ছেন ক্রিকেটাররা।

ভক্তদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন আগের চেয়ে বেশি। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ফিক্সিং চক্রও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিষয়টির কথা উল্লেখ করে ক্রিকেটারদের সতর্ক করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা আইসিসি।

ক্রিকেট বোর্ডগুলোকে এ বিষয়ে একটি চিঠিও দিয়েছে আইসিসি। তাতে লেখা হয়েছে, 'বিশ্বের অধিকাংশ দেশই লকডাউনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এতে ক্রিকেটাররা হাতে অনেক সময় পাচ্ছেন। যেটা তারা সামাজিক মাধ্যমে ব্যয় করছেন। অনেকে সৃজনশীলনতাও দেখাচ্ছেন। কিন্তু সামাজিক মাধ্যমের কিছু নেতিবাচক দিকও আছে। আমাদের কাছে কিছু তথ্য প্রমাণও এসেছে। ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস অ্যাপ ও ফেসবুকে ক্রিকেটারদের তোপ দিচ্ছে জুয়াড়িরা।'

ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদ মাধ্যম ক্রিকবাজ জেনেছে, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের দু'জন পুুরুষ ক্রিকেটারের সঙ্গে আলাপ হয়েছে ওই চক্রের। তার মধ্যে একজনের সঙ্গে কী আলাপ হয়েছে তা জানা যায়নি। অন্য একজনকে বিজ্ঞাপন স্বত্ত্ব পাইয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। গত বছর কানাডার টি-২০ লিগের ড্রাফটের সময়ও দু'জন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটারকে জুয়াডিরা লক্ষ্য বানায়।