করোনাভাইরাসে স্থগিত হওয়া ইউরোপিয়ান চারটি লিগ পুনরায় চালু হলেও তা হয়েছিল ক্লোজড ডোরে। কভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ও ২০২৩ এশিয়া কাপের বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোও দর্শকশূন্য হওয়ার কথা। সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার চিন্তা করেই ক্লোজড ডোরে ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করে আসছিল ফিফা ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন। তবে গত ৩১ জুলাই এএফসি প্রতিটি দেশের ফুটবল ফেডারেশনের কাছে ৭০ পৃষ্ঠার একটি গাইডলাইন পাঠিয়েছে। করোনার মধ্যে কীভাবে এএফসির অধীনে ম্যাচ এবং বিশ্বকাপ বাছাইয়ের খেলা আয়োজন করা যায়, তার বিস্তারিত তুলে ধরেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো গ্যালারিভর্তি দর্শক নিয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ, সীমিত দর্শক কিংবা দর্শকবিহীন ম্যাচ। এ তিনটির যে কোনো একটি বেছে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে পারবে স্বাগতিক দেশগুলো। এর জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষার কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে আয়োজকদের। এএফসির এই গাইডলাইন পাওয়ার পর সীমিত সংখ্যক দর্শক নিয়ে ম্যাচ আয়োজনের কথা ভাবছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। ৮ অক্টোবর সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে পুনরায় বিশ্বকাপ বাছাইয়ের খেলা শুরু হবে জামাল ভূঁইয়াদের।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের বাকি চার ম্যাচের তিনটি আফগানিস্তান, ভারত এবং ওমানের বিপক্ষে হবে সিলেটে। কাতারে গিয়ে খেলবে বাকি ম্যাচটি।