বার্সেলোনা ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে ম্যাচ শেষে বলেছেন, দল তলানিতে ঠেকে গেছে। এখন বার্সেলোনায় বড় পরিবর্তন দরকার। বার্সেলোনা সভাপতি মারিও বার্তামেউও দলের হারের পর জানালেন, পরিবর্তন আসবে। কিছু সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে তাদের নেওয়া শেষ। শুধু পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার অপেক্ষা।

বার্সেলোনা টানা ১৩বার চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটে ওঠার রেকর্ড গড়েছে। তবে তার বেশিরভাগই হতাশায় শেষ হয়েছে। শুক্রবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ৮-২ গোলে হেরেছে বার্সা। কাতালান শিবিরে তাই ফুটবলার, কোচ এমনি ম্যানেজমেন্টেও পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে।

সংবাদ মাধ্যম মোভিস্টারকে বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট বার্তামেউ বলেছেন, ‘আমি বার্সেলোনার ফুটবলার এবং সদস্যদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের জন্য এটা খুব খুবই কঠিন রাত ছিল। আমরা এভাবে হারার মতো দল নই। ক্লাব এরই মধ্যে পরিবর্তনের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। কিছু সিদ্ধান্ত দুই-এক দিনের মধ্যেই নেওয়া হয়ে যাবে। পরিস্থিতি একটু শান্ত হলে আগামী সপ্তাহেই আমরা ঘোষণা করবো।’

পরিবর্তনের শুরুটা বার্সা কোচ কিকে সেতিয়েনকে দিয়ে হবে এটা সহজেই অনুমেয়। বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট তাই প্রশ্নটা এড়িয়ে যেতে পারলেন না। তাকে সেতিয়েনের ভবিষ্যত নিয়ে উত্তর দিতে হলো। তবে সরাসরি কিছু বলেননি তিনি, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচের আগেই আমাদের অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল। তবে আজ কোচ নিয়ে আমি কথা বলতে চাই না। আলোচনার জন্য এটা ভালো সময় নয়।’

বার্সেলোনায় পরিবর্তনের যে আভাস পাওয়া যাচ্ছে তার মধ্যে কোচ ছাড়াও আছেন বার্সার পরিচালক এরিক আবিদাল। মেসিদের সঙ্গে চলতি মৌসুমেই দু’বার তার দ্বন্দ্ব লেগেছে। ফুটবলারদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো নয়। সেতিয়েনকে কোচ নিয়োগের অন্যতম প্রভাবক ছিলেন তিনি। এছাড়া নেইমারকে বার্সেলোনায় ফিরিয়ে আনতে না পারা, জাভি কিংবা তার মতো কাউকে বার্সার ডাগ আউটে দাঁড় করানোর ব্যর্থতা আবিদালের। বার্সা প্রেসিডেন্ট বার্তামেউকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিটাও নতুন নয়।