বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) শ্রীলংকা সফরের আগে ঢাকায় আবাসিক ক্যাম্প করছে। ওই ক্যাম্পের জন্য ২৯জনের দল দিয়েছে বিসিবি। যদিও সবাইকে করোনা সুরক্ষার কথা চিন্তা করে একসঙ্গে ক্যাম্পে রাখা হয়নি। ওই প্রাথমিক দলে ডাক পেয়েছেন সাইফউদ্দিন, মেহেদি হাসান, হাসান মাহমুদ, ইয়াসির আলীরা। এছাড়া ইনজুরি থেকে ফেরা সাদমানও আছেন দলে। 

টেস্টের প্রাথমিক দলে ডাক পাওয়া ওই তরুণদের এবার দলে জায়গা পাকা করার পালা। এর মধ্যে সাদমান অবশ্য আগে থেকেই টেস্টে নির্বাচকদের আস্থা অর্জন করেছেন। কিন্তু ইনজুরির কারণে দলের বাইরে ছিলেন তিনি। ২৫ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের তাই আবার ফিরতে হবে ফর্মে।

সাইফউদ্দিন: ইনজুরি ঝামেলায় ছিলেন সাইফউদ্দিন। ওয়ানডে খেলাই কঠিন হয়ে যাচ্ছিল তার জন্য। তবে করোনার মধ্যে বিশ্রামে সাইফ ইনজুরি মুক্ত হয়েছেন। এমনকি ফিটনেসে ভালো অবস্থানে আছেন বলেই, তাকে টেস্টের প্রাথমিক দলে রাখা হয়েছে। টেস্ট না হোক সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে সাফল্য পেতেও তার মতো পেস অলরাউন্ডারের ফিটনেসে থাকতে হবে অনেক এগিয়ে।

মেহেদি হাসান: ডানহাতি স্পিন অলরাউন্ডার দুটি বিপিএলে ভালো খেলেছেন। আন্তর্জাতিক টি-২০ খেলে ফেলেছেন। তার মধ্যে একজন ভালো অলরাউন্ডারের আভাস পাওয়া যায়। বোর্ডেরও তাকে নিয়ে পরিকল্পনা আছে। টেস্টের প্রাথমিক দলে তাই ডাক পেয়েছেন মেহেদি হাসান।

হাসান মাহমুদ: তরুণ গতিময় পেসার হাসান মাহমুদ। তাকে নিয়ে বেশ আশাবাদী বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন। টি-২০ ফরম্যাটে অভিষেক হয়েছে হাসানের। এবার টেস্টে এগিয়ে আসার পালা। আবু জায়েদ-এবাদত হোসেনদের সঙ্গে জুটি গড়ে শক্ত পেস আক্রমণ গড়ার পালা।

ইয়াসির আলী: শেষ ১৮ মাসে জাতীয় দলে দু’বার ডাক পেয়েছেন ইয়াসির আলী। কিন্তু এখনও আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়নি। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ইয়াসিরের প্রতিভা নিয়ে প্রশ্ন নেই। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিনও তাকে নিয়ে আশাবাদী। ফিটনেস নিয়ে তার বেশ সমস্যা ছিল। তবে এখন টেস্ট দলে ঢোকার জন্য প্রস্তুত তিনি।

সাদমান: ঠান্ডা মাথার বাঁ-হাতি ওপেনার সাদমান ইসলাম। তাকে টেস্টের লম্বা দৌড়ের ঘোড়া ভাবা হচ্ছে। অন্য অনেকের মতো সাদমান ওয়ানডে-টি-২০ ফরম্যাটে ডাক পাওয়া নিয়ে অতোটা উদ্বিগ্ন নন। বরং টেস্টটা মনোযোগ দিয়ে খেলতে চান তিনি। অভিষেকের পর থেকে সাদমান আস্থা অর্জন করে চলেছেন।