বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের জন্য বড় একটা দল দিয়েছেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি। ৩০ জনের ওই দলে ডাক পাননি ডি মারিয়া এবং সার্জিও আগুয়েরো। ম্যানসিটি স্ট্রাইকার আগুয়েরো অবশ্য ইনজুরিতে আছেন। তবে দুর্দান্ত ফর্মে থেকেও দলে ডাক না পাওয়ায় ফুঁসছেন ডি মারিয়া।

তার মতে, গাধার মতো তিনি পিএসজিতে খেটে চলেছেন, জাতীয় দলে খেলবেন বলে। অথচ তাকে ইচ্ছা করেই বাদ দেওয়া হয়েছে। ৩২ বছরে নাকি তিনি বুড়ো হয়ে গেছেন। পিএসজি উইঙ্গার ডি মারিয়ার অবশ্য ক্ষোভের কারণও আছে। মাঝপথে করোনার কারণে ফ্রান্স লিগ বাতিল হয়ে গেলেও পিএসজির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে গেল মৌসুমে ১২ গোল এবং ২৩ গোলে সহায়তা দিয়েছেন ডি মারিয়া। দলকে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে তুলতে রেখেছেন বড় ভূমিকা।

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া নিয়ে তাই রেডিও অনুষ্ঠান ক্লোজ কন্টিনেন্টালে ডি মারিয়া বলেন, ‘এর কোন ব্যাখ্যা আমার কাছে নেই। আমার কাছে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলই সবার আগে। গাধার খাটুনি দিতে চাইলেই হয়তো আবার জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য ডাক পাবো। ভালো সময়ে আমি ডাক পেলাম না, এটার কারণ বোঝা কঠিন।’

ডি মারিয়ার মতে, তার দলে ডাক না পাওয়ার কারণ, ম্যানেজমেন্ট তাকে দলে ডাকতে চায়নি। তবে তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন, ‘৩২ বছর বয়সে আমি কি খুবই বুড়ো হয়ে গেছি? অনেকেই বলছেন, আমি বুড়া হয়ে গেছি। কিন্তু ৩২ বছরেও আমি আগের মতো দৌড়ে খেলি। প্রতি ম্যাচেই প্রমাণ করেছি ৩২ এমনকি বয়স! আমি এখনও নেইমার-এমবাপ্পেদের পর্যায়ে আছি।’

ডি মারিয়া আর্জেন্টিনার হয়ে এরই মধ্যে তিনটি বিশ্বকাপ খেলে ফেলেছেন। ২০১০ বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন দলের তরুণ এক ফুটবলার। ২০১৪ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন ডি মারিয়া। কিন্তু সেমিফাইনাল-ফাইনালে ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি। রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলেছেন পিএসজি অ্যাটাকার। ফ্রান্সের বিপক্ষে তার দুর্দান্ত গোলেই ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দেয় আর্জেন্টিনা। যদিও শেষটা ভালো হয়নি।