ম্যাচ পড়তে অসম্ভব দক্ষ ভারতের সাবেক ক্রিকেটার মাহেন্দ্র সিং ধোনি। রান তাড়ায় কোন ওভারে, কিভাবে, কত রান তুলবেন সেই অঙ্কটাও কষে ফেলেন তিনি! তার সেই অঙ্কের নিয়মে হয়তো ভুল থাকে না, তবে সবসময় শেষটায় গিয়ে মেলেনা অঙ্ক।

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের ম্যাচেই তা দেখা গেছে। ধরে ধরে খেলে ধোনি ম্যাচটাকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন। সঙ্গে বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন রানের চাপটাও। শেষে ধোনি আউট হতেই সব শেষ। ওই ম্যাচ নিয়ে কম সমালোচনা ভোগ করতে হয়নি ধোনির। আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষেও একইভাবে অঙ্ক কষেছেন ধেনি। এবার উত্তর মেলেনি। সমালোচনাও তাই জুটছে তার কপালে।

রাজস্থানের বিপক্ষে ১৬ রানে হারার ম্যাচে ধোনির মানসিকতা পছন্দ হয়নি অনেকের। তার সাতে ব্যাট করা, রান তাড়ার দেরিতে শট নেওয়াকে সুনীল গাভাস্কার, কেভিন পিটারসেনরা মানতে পারছেন না। ২১৭ রান তাড়ায় ১৩.৪ ওভারে পাঁচ উইকেটে ১১৪ তুলেছিল চেন্নাই।তখনও ১০৩ রান দরকার দলের। হাতে বল মাত্র ৩৮ টি!

এমন সময় ধোনি ক্রিজে না এসে স্যাম কারেন, ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, কেদার যাদবের পরে সাতে ক্রিজে আসেন। ১৭ বলে তিন ছক্কায় খেলেন ২৯ রানের ইনিংস। বিশ্বকাপেও ধোনি দেরিতে ব্যাটে নেমেছিলেন। ঋষভ পান্ত-হার্ডিক পান্ডিয়াদের পরে। রাজস্থানের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে সুনীল গাভাস্কার তাই বলেছেন, ‘স্যাম কারেনকে  আগে ব্যাটিং দিয়ে সুফল পেয়েছিল চেন্নাই। তারপর ভেবেছিলেন ধোনি আসবে। কিন্তু পাঁচ উইকেট পড়ার পর  জেতা সম্ভব নয় ধরে নিয়েছিল ধোনিরা। ম্যাচ জেতা সম্ভব, এই বিশ্বাস নিয়েই নামা উচিত ছিল ধোনির।’

কেভিন পিটারসেন বলেছেন, ‘জেতার চেষ্টা তো করতে হবে। ফাফ ডু প্লেসি মারতে শুরু করেছিল, ধোনিও শেষে চালিয়ে খেলল। জয়ের  কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। আগের চার-পাঁচ ওভার শুধু খুচরো রানে খেলার মানেই হয় না। জেতার তাগিদ দেখাতে পারত ওরা।’