বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে ১৫ ক্রিকেটার খেলেছেন এইচপি স্কোয়াড থেকে। তাদের কেউ কেউ ভালোও খেলেছেন। কাজে যোগ দিয়ে এইচপি প্রধান কোচ টবি রেডফোর্ডও ম্যাচে দেখতে পেয়েছেন ক্রিকেটারদের একাংশকে। নিজেও নাজমুল একাদশে কোচের দায়িত্বে ছিলেন। সিরিজ শেষে এইচপি স্কোয়াডের স্কিল ক্যাম্প করাচ্ছেন তিনি। এইচপির এ ইংলিশ কোচ গতকাল জানালেন, ক্রিকেটারদের নিয়ে নিজের লক্ষ্যের কথা।

প্রশ্ন :এইচপি দল নিয়ে আপনার লক্ষ্য?

টবি :আমি জানি, বাংলাদেশ নিজেদের কন্ডিশনে ভালো খেলে। তারা জানে নিজেদের কন্ডিশনে কীভাবে খেলতে হয়। এইচপিতে আমার বড় দায়িত্ব হলো জাতীয় দলের জন্য খেলোয়াড় তৈরি করা। যারা বিশ্বের যে কোনো জায়গায় টেস্ট, ওয়ানডে ও টি২০তে ভালো খেলবে।

প্রশ্ন :কীভাবে এগোতে চান?

টবি :অস্ট্রেলিয়া গেলে পার্থের মতো পেস উইকেটে মিচেল স্টার্ককে মোকাবিলা করতে হবে। ইংল্যান্ডে গেলে খেলতে হবে জেমস অ্যান্ডারসনের সুইং ও সিম বলে। বিভিন্ন কন্ডিশনে ওই ধরনের বোলারদের খেলে অভ্যস্ত হতে পারলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মানিয়ে নিতে পারবে তারা।

প্রশ্ন :এই দলে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার আছে?

টবি :আমি প্রতিভা দেখে মুগ্ধ। একটি ছেলে আছে যে সম্ভবত ৯০ মাইল গতিতে বল করতে পারে। তিন-চারজন ব্যাটসম্যানের টেকনিক ভালো। আমাকে যেটা উজ্জীবিত করছে।

প্রশ্ন :কতদিন মেয়াদে কাজ করবেন?

টবি :এ যাত্রায় ছয় সপ্তাহ কাজ করব। এ সময়ে অনেক কিছু করা যায়। প্রস্তুতি এবং ম্যাচ খেলে খেলোয়াড়দের উন্নতি ঘটানো সম্ভব। জানুয়ারির শেষ দিকে আরেকটি ক্যাম্প হবে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজের জন্য। কভিডের কারণে সিরিজটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এরপর আমরা ইংল্যান্ডে খেলতে চাই। যেখানে বোলাররা সবুজ উইকেটে কিছু শিখতে পারবে। ব্যাটসম্যানরা খেলে অভ্যস্ত হবে।

প্রশ্ন :নিউ নরমাল সময়ে কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন?

টবি :সবচেয়ে কঠিন হলো, নিয়মিত টেস্ট দেওয়া। আমি চারবার টেস্ট দিয়ে ফেলেছি। নাকে জ্বালা করে। বায়ো-বাবলের ভেতরে থাকতে হয়। আইপিএলে স্টোকস, মরগান, আর্চাররাও এটা নিয়ে অস্বস্তিতে আছেন। হোটেল থেকে বের হওয়া মানা। সব সময় মাস্ক পরে থাকতে হয়। খেলোয়াড়দের বলেছি, পেন্ডামিকের কথা ভুলে যেতে। ক্রিকেটে ফোকাস করতে। তাহলে নেতিবাচক জিনিসগুলো থেকে মুক্ত থাকবে।