ঢাকা বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

দায়িত্বটা বুঝে নেওয়ার পালা

দায়িত্বটা বুঝে নেওয়ার পালা

ছবি- ইউসুফ আলী

ক্রীড়া প্রতিবেদক, সিলেট থেকে

প্রকাশ: ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | ০৯:৫৫ | আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | ১০:১৮

কঠিন পরীক্ষা জেনে প্রস্তুতিটা ঠিকঠাক নিচ্ছে বাংলাদেশ। একেক করে সব বিভাগে ভুলত্রুটি শুধরে দেওয়ার চেষ্টা করছেন কোচিং স্টাফরা। লক্ষ্য লাক্কাতুরায় টার্গেট মতো নিশানা ভেদ করা। যেখানে প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড নামবে কোমর বেঁধে আর বাংলাদেশ খেলবে ভিন্ন একটা দল নিয়ে। তবে এই দলের এমন চারজন ক্রিকেটার আছেন, যাদের কাঁধে থাকবে মূল দায়িত্ব। তারা ব্যর্থ হলে মরতে পারে শেষ আশাও। তাই মূল দায়িত্বটা তাদেরই নিতে হবে।

ক্রিকেট নাকি জুটির খেলা। কারও টপাটপ ৫-৭ উইকেট পড়ার পরও জুটির বদৌলতে আবার ম্যাচে ফেরে। আর সেই জুটিটা যদি শুরুর দিকে অর্থাৎ টপঅর্ডারে হয়, তাহলে তো কথায়ই নেই। এই টপঅর্ডারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকবে নাজমুল হোসেন শান্তর কাঁধে। অতীতের ভুল সংশোধন করে নতুনভাবে যদি সাফল্যের ডানা মেলতে পারেন, তাহলে রান নিয়ে বাংলাদেশের খুব একটা ভাবতে হবে না। 

যদিও সময়টা আর আগের মতো নেই শান্তর। ভারতের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপেও আশানুরূপ পারফরম্যান্স করতে পারেননি শান্ত। তবে টেস্টে তাঁর সব শেষ ইনিংসগুলো দুর্দান্ত। আফগানদের বিপক্ষে এক ম্যাচে ১২৪, আরেকটিতে ১৪৬ রান করেছিলেন। তবে শঙ্কাটা তাঁর অধারাবাহিকতা। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে তাঁর ব্যাটিং গড়ও মাত্র ২৯.৮৩। তবু দলনেতা হিসেবে, একজন ওপেনার হিসেবে ইনিংসটা ঝলমলে রং দিয়েই সাজাতে চাইবেন শান্ত।

শান্তর পর মিডল অর্ডারের হৃৎপিণ্ড হয়ে থাকবেন মুশফিকুর রহিম। টেস্ট ক্রিকেটের এই অভিজ্ঞ মুখ আবার সবার সামনে আলো হয়ে জ্বলতে চান। ৮৬ ম্যাচে সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি রান করা মুশফিকের টেস্ট অঙ্গনটা বেশ গোছানো। সব শেষ এ বছর চার ম্যাচের একটিতে সেঞ্চুরি, আরেকটিতে হাফ সেঞ্চুরি এবং তৃতীয় ম্যাচে তিন রানের জন্য পাননি অর্ধশতক। তা ছাড়া রানের জন্য সব সময়ই ক্ষুধার্ত থাকেন মুশি। যেটা অন্যদের চেয়ে তাঁকে পৃথক করেছে দারুণভাবে। 

এই দু’জন ছাড়াও নিউজিল্যান্ডের মতো গোছানো, শক্তিশালী আর সাহসী দলের সঙ্গে টক্কর দিতে মেহেদী হাসান মিরাজকেও সেরাটা দিতে হবে। বিশ্বকাপে তাঁর ব্যাটিং অর্ডার বদলের পর একটা ঝলক দেখালেও পরে নিভে যেতে দেরি হয়নি। তবে নিজেদের কন্ডিশন, চেনা উইকেট হওয়ায় মিরাজের সুযোগটা অনেক। হয় বল, না হয় ব্যাট– দুই বিভাগের যে কোনোটিতে ঝলমলে কিছু উপহার দিতে পারলেই হলো। তাঁর সঙ্গে স্পেশাল স্পিনার হিসেবে তাইজুল ইসলাম তো আছেনই। অন্তত সিলেটে টেস্ট হলে তাঁকে সবার আগে প্রয়োজন পড়ে বাংলাদেশের। কারণ এই উইকেটের শতভাগ সুবিধা তিনিই আদায় করে নিয়েছেন। সেরা বোলিংয়ে তাঁর নাম, সবচেয়ে বেশি উইকেটও তাঁর নামের পাশে। সে জন্য হয়তো তাঁর জন্য কিউইরাও বাড়তি পরিকল্পনা করে।

আরও পড়ুন

×