ঝলমলে রোদ দিয়ে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজকে স্বাগত জানিয়েছে সাগরিকা। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উইকেট বাড়িয়ে দিয়েছে রানের হাত। সোমবার টস হেরে ব্যাট করে চার পাণ্ডব তামিম, সাকিব, মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহর ফিফটিতে বড় রানও পেয়েছে স্বাগতিকরা। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলেছে ২৯৭ রান।

মিরপুরের দুই ম্যাচে টস জিতে ও হেরে পরে ব্যাট করে সহজ জয় তুলে নেয় টাইগাররা। চট্টগ্রামে শুরুতে তাই ব্যাট করা দলের পরীক্ষা দিতে হবে মনে হয়েছিল। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কোন রান না করে লিটন দাস ফিরে গেলে সেই সম্ভাবনা জোরালো হয়। আশা জাগিয়ে দ্রুত ফিরে যান নাজমুল শান্তও। প্রথম দুই ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পরে চট্টগ্রামে তার ব্যাট থেকে আসে ২০ রান। লিটন-শান্ত দু'জনই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন।

এরপর দলের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান দলকে ভরসা দেন। তারা ৯৩ রানের জুটি গড়েন। আগের দুই ম্যাচে রান পাওয়া অধিনায়ক তামিম ইকবাল ফিরে যান ৬৪ রান করে। তার ৮০ বলের ইনিংসটি তিন চার ও এক ছক্কায় সাজানো ছিল। এরপর দেখে শুনে খেলে ফিফটি তুলে নেন সাকিবও। দেশসেরা ক্রিকেটার  ৮১ বলে তিন চারে খেলেন ৫১ রানের ইনিংস। নিষেধাজ্ঞার পর খুব কষ্টে পওয়া প্রথম ফিফটিটা অবশ্য বড় করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে বোল্ড হয়ে যান সাকিব।

মুশফিকের সঙ্গে সাকিবের জুটি হয় ৪৮ রানের। তামিম-সাকিবের বিদায়ের পর রান তোলার গতি বাড়ান মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। পাঁচে ব্যাট করা মুশফিক খেলেন ৫৫ বলে চারটি চার ও দুটি ছক্কায় ৬৪ রানের ইনিংস। এরপর মাহমুদুল্লাহর ব্যাট থেকেও আসে হার না মানা ৬৪ রান। ফিনিশার মাহমুদুল্লাহ ৪৩ বল খেলে তিন চার ও তিন ছক্কায় ওই রান তোলেন। তাদের জুটি থেকে আসে ৭২ রান।

সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে সাতে ব্যাটিংয়ে নেমে সৌম্য অবশ্য ৭ রানের বেশি করতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আলজারি জোসেপ ও রেমন রেইফার দুটি করে উইকেট নেন। ১০ ওভার করে হাত ঘুরিয়ে তারা যথাক্রমে ৪৮ ও ৬১ রান খরচা করেন। কাইল মায়ার্স নেন একটি উইকেট। মিরপুরে ঘূর্ণি তোলা তরুণ বাঁ-হাতি স্পিনার আকিল হোসেন অবশ্য চট্টগ্রামে কোন উইকেট পাননি।