চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টের ফল বাংলাদেশের পক্ষে ছিল। ৩৯৫ রান তাড়া করতে নেমে চতুর্থদিন ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলেছিল ক্যারিবীয়রা। অথচ চতুর্থ উইকেট জুটিতে টেস্টে অভিষিক্ত দুই ক্রিকেটার কাইল মায়ার্স ও এনক্রুমাহ বোনার ম্যাচটা নিজেদের হাতে নিয়ে নেন। দলকে তুলে নেন জয়ের পথে।

দুর্দান্ত ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচে রেকর্ড গড়েন মায়ার্স ও বোনার। দু'জন অভিষেকে টেস্ট ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুড়ি গড়েন। তাদের জুটি আছে ২১৬  রান। টেস্টে অভিষিক্ত জুটিতে সর্বোচ্চ রানের জুটি ২৪৯ রানের।

১৯৬৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করাচিতে পাকিস্তানের খালিদ ইবাদুল্লাহ ও আব্দুল কাদির এই জুটি গড়েন। যেটা ছিল ওপেনিং জুটিতে গড়া ইনিংস। এছাড়া ষষ্ঠ উইকটে জুটিতে জিম্বাবুয়ের হগটন ও অ্যান্ডু ফ্লাওয়ার ১৬৫ রান যোগ করেছিলেন। এতোদিন রেকর্ড বইয়ে তিনে ছিল তামিম ও জুনায়েদ সিদ্দিকির নাম। তারা ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ১৬১ রান যোগ করেছিলেন তৃতীয় উইকেট জুটিতে।

টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি করা সবসময়ই কঠিন। কাজটা এশিয়ার মাটিতে আরও কঠিন। সেই কাজটা অভিষেক টেস্টে করে ফেলেছেন কাইল মায়ার্স। তিনি এরই মধ্যে তুলে ফেলেছেন ১১৭ রান। ১৫তম ব্যাটসম্যান হিসেবে রেকর্ড বইয়ে নাম তুলেছেন তিনি। ওই ১৫ জনের মধ্যে আবার উঠে গেছেন তিনে। এক রান যোগ করলেই রিকি পন্টিংকে ছাড়িয়ে দুইয়ে উঠে যাবেন তিনি। সর্বোচ্চ ১৪০ রান আছে ড্যানিয়েল ভেট্টরির।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ জুটি গড়ার রেকর্ডের তালিকায় নাম তুলেছেন কাইল মায়ার্স এবং এনক্রুমাহ বোনার। এর আগে চতুর্থ ইনিংসে দুইশ' ছাড়ানো জুটি ছিল ক্যারিবীয়দের মাত্র তিনটি। এর মধ্যে গর্ডন গ্রিনিজ এবং ল্যারি গোমেজের ১৯৮৪ সালে গড়েছেন সর্বোচ্চ ২৮৭ রানের জুটি। গ্রিনিজ এবং হাইনেসের একই বছর আছে ২৫০ রানের জুটি। তাদের আগে ১৯৩০ সালে হ্যাডলি এবং নুনেজ গড়েছিলেন ২২৭ রানের জুটি।