দেশের সেরা ক্রিকেটারকে দলে পেতে চায় সব ম্যানেজমেন্টই। -বাংলাদেশের মতো ক্রিকেট খেলুড়ে দেশে সেটা আরও বেশি। তাই সাকিবের জন্য জাতীয় দলের দরজা সব সময় খোলা থাকে। আইসিসির এক বছরের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় দলে ফিরতে সমস্যা হয়নি বাঁহাতি এ অলরাউন্ডারের। অথচ এ সাকিবই টেস্ট খেলতে চান না দেশের হয়ে। 

বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বলেন, তিন বছর আগেই টেস্ট ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন সাকিব। নেতৃত্ব দিয়ে তাকে আটকে রেখেছিল বোর্ড। তাতে যে লাভ হয়নি, বুঝে গেছেন পাপন। তিনি বলেন, 'জোর করে খেলিয়ে লাভ হয় না। বিশেষ করে মানসিক খেলা টেস্টে। খেলতে হবে দেখে খেলা হবে না। সাকিব তো টেস্ট খেলতেই চায় না। তিন বছর আগেই সে ছেড়ে দিতে চেয়েছিল।'

টি২০র ফেরিওয়ালা সাকিব। আইপিএল, সিপিএল, পিএসএল বিশ্বের সব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ থেকেই ডাক পড়ে তার। দেশের প্রতিনিধি হয়ে বিশ্বের সব বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই খেলেন তিনি। এর পরও জাতীয় দলের খেলা থাকে। এই ব্যস্ততায় পরিবারের জন্যও সময় দিতে পারেন না। তাই ২০১৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেই টেস্ট খেলতে চাননি তিনি। 

২০১৯ সালে আফগানিস্তানের কাছে চট্টগ্রামে একমাত্র টেস্ট হারের পেছনেও ছিলেন সাকিব। যেখানে অনেকবারই তিনি বলেছেন, টেস্ট ছেড়ে দেওয়ার কথা। এবার সে পথেই হয়তো হাঁটছেন দেশসেরা এই অলরাউন্ডার।


বিষয় : সাকিব আল হাসান টেস্ট

মন্তব্য করুন