বাংলাদেশের ক্রিকেটার নাসির হোসাইনের স্ত্রী তামিমা সুলতানা দাবি করেছেন, তার পূর্বের স্বামী রাকিব হাসানকে তালাক দিয়েই তিনি নাসিরকে বিয়ে করেছেন। বুধবার সাংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তিনি।

তামিমা বলেন, 'মিস্টার রাকিব হাসান, উনি বলছেন আমি উনাকে তালাক না দিয়ে বিয়ে করেছি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। আমি তালাকের জন্য আবেদন করি ২০১৬ সালে, সেটার অনুমোদন আসে ২০১৭ সালে। ডিভোর্সটা সম্পূর্ণ আইন মেনেই হয়েছে। এটা তাদের পরিবার এবং তিনিসহ সবাই জানতেন।'

ক্রিকেটার নাসির হোসাইনকে সদ্যই বিয়ে করেন তামিমা সুলতানা। বিয়েপরবর্তী সংবর্ধনাও হয় জাকজমকভাবে। এরই মধ্যে রাকিব হাসান অভিযোগ তোলেন, তাকে তালাক না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা। এ বিষয়ে তামিমা বলেন, 'আমাদের নিয়ে উনি যা যা বলেছেন, এর মধ্যে আমাদের বিয়ে হয়েছিল এবং একটা বাচ্চা আছে- এই দুইটা সত্য। বাকি সব কথা মিথ্যা। এগুলোর প্রত্যেকটির প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। আমাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া খবর প্রকাশ করা হচ্ছে। সবাইকে জানিয়ে রাখছি, এই মুহূর্তে আমার কোনো ফেসবুক আইডি অ্যাকটিভ নেই। নাসিরের একটি পেজ রয়েছে। আমরা কিছু জানালে নিজেদের ফেসবুক আইডি বা নাসিরের পেজ থেকে জানাবো। দয়া করে কারো কথা শুনে ভুয়া তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন।'

এ সময় তামিমা বলেন, 'রাকিব যেটা করছে সেটা পাবলিক প্ল্যাটফর্ম পাওয়ার জন্য।'

সংবাদ সম্মেলনে নাসির হোসাইন বলেন, 'তামিমাকে আমি চিনি চার-সাড়ে চার বছর ধরে। আমি ওকে খুব কাছ থেকে চিনি। দু'জনই প্রাপ্ত বয়স্ক। আমরা আইনগতভাবে, ধর্ম অনুযায়ী বিয়ে করেছি। কোন সমস্যা থাকলে এভাবে লোক জানিয়ে বিয়ে করতাম না।'

তিনি বলেন, 'আমি ওর ব্যাপারে সব জানতাম। ওর আগে বিয়ে হয়েছে, বাচ্চা আছে। ডিভোর্স হয়েছে। বিয়ের আগে আমরা লিগ্যাল ডিভোর্স পেপার হাতে নিয়েই বিয়ে করেছি। আমি চাইলে ডিভোর্স পেপার ফেসবুকে এসে দেখাতে পারতাম। কিন্তু দেখাইনি।'

নাসির হোসাইন আরও বলেন, 'ধর্মীয় রীতিনীতি এবং দেশের প্রচলিত আইন মেনেই আমি তামিমাকে বিয়ে করেছি। আমি তাই সকলের প্রতি আহ্বান করছি যেন এমন কিছু না করা হয়, যাতে আমার স্ত্রীর কোন অসুবিধা হয়। আমার এখন ভয় লাগছে, তামিমা যেকোন সময় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারে। এখন তামিমা আর তামিমা নয়। তামিমা হোসাইন। সুতরাং তার নামে কেউ কিছু বললে আমি মেনে নেব না।'

এ সময় তামিমা বলেন, 'রাকিব যেটা করছে সেটা পাবলিক প্লাটফর্ম পাওয়ার জন্য।'

সংবাদ সম্মেলনে নাসির হোসাইন বলেন, 'তামিমাকে আমি চিনি চার, সাড়ে চার বছর ধরে। আমি ওকে খুব কাছ থেকে চিনি। দু'জনই প্রাপ্ত বয়স্ক। আমরা আইনগতভাবে, ধর্ম অনুযায়ী বিয়ে করেছি। কোন সমস্যা থাকলে এভাবে লোক জানিয়ে বিয়ে করতাম না।'

তিনি বলেন, 'আমি ওর ব্যাপারে সব জানতাম। ওর আগে বিয়ে হয়েছে, বাচ্চা আছে। ডিভোর্স হয়েছে। বিয়ের আগে আমরা লিগ্যাল ডিভোর্স পেপার হাতে নিয়েই বিয়ে করেছি। আমি চাইলে ডিভোর্স পেপার ফেসবুকে এসে দেখাতে পারতাম। কিন্তু দেখাইনি।'

নাসির হোসেন আরও বলেন, 'ধর্মীয় রীতিনীতি এবং দেশের প্রচলিত আইন মেনেই আমি তামিমাকে বিয়ে করেছি। আমি তাই সকলের প্রতি আহ্বান করছি যেন এমন কিছু না করা হয় যাতে আমার স্ত্রীর কোন অসুবিধা হয়। আমার এখন ভয় লাগছে, তামিমা যেকোন সময় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারে। এখন তামিমা আর তামিমা নয়। তামিমা হোসাইন। সুতরাং তার নামে কেউ কিছু বললে আমি মেনে নেব না।'

মন্তব্য করুন