ডানেডিনের ওভাল ইউনিভার্সিটি গ্রাউন্ডকে ব্যাটিং সহায়কই বলতে হবে। প্রথমে ব্যাট করা দলের গড় রান ২৬১। ওই রান করতে পারলে আবার ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনা ফিফটি-ফিফটি। কিন্তু শনিবার (বাংলাদেশ সময় ভোর চারটা) শুরু হওয়া সিরিজে ম্যাচের সমীকরণ বদলে দিতে পারে আবহাওয়া। কারণ সকালে মেঘ এবং বিকালে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে সেখানে।

নিউজিল্যান্ডে আবার মেঘ-বৃষ্টি মানেই পেসারদের দৈত্য রূপে আর্বিভাবের সম্ভাবনা। এবারের কিউই সফরে ওই জায়গায় অবশ্য খানিকটা স্বস্তিতে আছে টিম টাইগাররা। কারণ কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর হাতে আছে শক্তিশালী এবং লম্বা পেস আক্রমণের বহর।

ফর্ম-ফিটনেস মিলিয়ে অধিনায়ক তামিম ইকবালকেও আশা দেখাচ্ছেন পেসাররা। তামিম তাই প্রথম ম্যাচের আগে গলা পরিষ্কার রেখে দৃঢ়তার সঙ্গেই বললেন, 'আমাদের হাতে এবার মজবুত এক পেস আক্রমণ আছে। অনুশীলনে তারা খুবই ভালো করেছে। মাঠে তাদের দেখতে আমি মুখিয়ে আছি।'

তাসমানিয়া দ্বীপে অবশ্য বোলারদের দিকে তাকিয়ে থেকেই ম্যাচ জেতা যাবে না। সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতি তাই তামিম-মুশফিকদের ভালো ব্যাটিং করতে হবে। এগিয়ে আসতে হবে ঘরের মাঠে ফর্মহীন থাকা লিটন দাস ও নাজমুল শান্তকে। নিয়মিত অধিনায়ক হিসেবে দ্বিতীয় সিরিজে নেতৃত্ব দিতে যাওয়া তামিম অবশ্য শান্তর ব্যাট থেকে রান পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদি।

ব্ল্যাক ক্যাপসদের বিপক্ষে টাইগারদের সেরা পারফরমারের নাম সাকিব। তিনি দলে না থাকলেও তামিম-ডমিঙ্গো কিউইদের মাটিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে প্রথম জয় তুলে নেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদি। সাহস দিচ্ছে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধবলধোলাই। আশা দেখাচ্ছে কেন উইলিয়ামসন-রস টেইলরের (প্রথম ম্যাচে) না থাকা। টম ল্যাথামও অবশ্য তরুণ্যের আধিক্যে গড়া দল নিয়ে ফল পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: তামিম ইকবাল, লিটন দাস, নাজমুল শান্ত, মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদি মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ।

নিউজিল্যান্ডের সম্ভাব্য একাদশ: মার্টিন গাবটিল, হেনরি নিকোলাস, ডেভন কনওয়ে, টম ল্যাথাম, উইল ইয়ং, জেমস নিশাম, ডার্ল মিশেল, মিশেল সাটনার, টিম সাউদি, কাইল জেমিসন, ট্রেন্ট বোল্ট।