কিউইদের আড়াইশ’র আশপাশে আটকানোর আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। ক্যাচ-ফিল্ডিং মিস না করলে লক্ষ্যটা তিনশ’র নিচে থাকতে পারতো। কিন্তু তিনে নামা ডেভন কনওয়ে ও ছয়ে নামা ডার্ল মিশেলের সেঞ্চুরিতে লক্ষ্যটা দাঁড়িয়েছে ৩১৯ রানে। 

শুক্রবার ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে  সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে  টস জিতে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। ভালো শুরু করা কিউই শিবিরে প্রথম ধাক্কা দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। মুশফিক উইকেটের পেছনে কিউই ওপেনার হেনরি নিকোলসের ক্যাচ ফেললেও একই ওভারে স্লিপে তাকে তালুবন্দি করেন লিটন দাস। নিকোলসকে ১৮ রানে ফিরিয়ে ৪৪ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙেন তাসকিন।

ওই ধারা ধরে রেখে মার্টিন গাপটিলকে তুলে নেন রুবেল হোসেন। মারকুটে ডানহাতি কিউই ওপেনার করেন ২৬ রান। এরপরই ইনজুরি মুক্ত হয়ে মাঠে ফেরা রস টেইলরকে উইকেটের পেছনে ক্যাচে পরিণত করেন রুবেল। ওই ওভারে টেইলরের ক্যাচটা মুস্তাফিজ মিস করলেও ক্ষতির কারণ হতে পারেননি তিনি।

কিউইদের ১১ ওভারে ৫৭ রানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ তখন বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে। সেই নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন তিনে নামা ডেভন কনওয়ে। ক্যারিয়ারের তৃতীয় ওয়ানডে খেলতে নামা এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান প্রথমে অধিনায়ক টম ল্যাথামকে নিয়ে ৬৩ রানের জুটি গড়েন। এরপর ডার্ল মিশেলের সঙ্গে গড়েন ১৫৯ রানের অসাধারণ জুটি।

নিজে খেলেন ১১০ বলে ১৭ চারে ১২৬ বলের অসাধারণ ইনিংস। তাকে সঙ্গ দেওয়া ডার্ল শেষ পর্যন্ত খেলে করেন ৯২ বলে ১০০ রান। অসাধারণ ইনিংসটা তিনি সাজান নয় চার ও দুই ছক্কায়। এছাড়া অধিনায়ক টম ল্যাথাম স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ১৮ রান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে স্বাগতিকদের ৬ উইকেট নিতে পারে বাংলাদেশ।

বল হাতে দলের হয়ে তাসকিন আহমেদ ১০ ওভারে ৫২ রান খরচায় নেন ১ উইকেট। দুটি ক্যাচ মিস হয়েছে তার বলে। তাকে তাই অভাগা বলতেই হবে। পেসার রুবেল হোসেন ১০ ওভারে ৭০ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। এছাড়া সৌম্য সরকার ৮ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে তুলে নেন ১ উইকেট। তবে সবচেয়ে বাজে দিন গেছে বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের। ১০ ওভারে ৮৭ রান দিয়ে মাত্র ১ উইকেট নিতে পারেন তিনি।