জিম্বাবুয়ের কাছে টেস্ট ম্যাচ হারায় আফগানিস্তানের অধিনায়কত্ব খোয়ালেন আসগর আফগান। দ্বিতীয়বারের মতো দেশটির অধিনায়কত্ব পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ১৫ মাসের মাথায় অধিনাকত্ব ছিনিয়ে নেওয়া হলো তার। 

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে হারায় মেনে নিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তাই তাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এর মধ্য দিয়ে বোর্ড আবারও ফরম্যাটভিত্তিক নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মার্চের সেই সিরিজের প্রথম টেস্ট মাত্র দুই দিনে শেষ হয়েছিল। প্রথমে ব্যাটিং করা আফগানিস্তান দুই ইনিংসেই দেড় শ পেরোতে ব্যর্থ হয়েছিল। ১৩১ ও ১৩৫ রানে গুটিয়ে যাওয়া ওই টেস্ট ১০ উইকেটে হেরেছে আফগানিস্তান। আর সেই ম্যাচে অধিনায়কের নেওয়া কিছু সিদ্ধান্তকেই হারের কারণ হিসেবে দেখছে বোর্ড। 

আসগরের বদলে ওয়ানডে ও টেস্টে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আফগানিস্তানের প্রথম টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরিয়ান হাসমত উল্লাহ শহিদিকে। আর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের জন্য কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে- সে বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এই দলের সহ-অধিনায়ক হিসেবে বহাল থাকছেন লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার রশিদ খান।  

আসগর আফগানকে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে, তার ব্যাখ্যা দিয়ে আফগান ক্রিকেট বোর্ড বলছে, ‘বোর্ডের এক তদন্তের পর আসগর আফগানকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, মার্চে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে হারের পেছনে অধিনায়ক আসগরের বেশ কিছু সিদ্ধান্ত দায়ী।’

ওই টেস্টে হারলেও পরের টেস্টে আসগরের ১৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসই সিরিজ ড্রয়ে ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু প্রথম টেস্টে হারটাকে কোনোভাবে মেনে নিতে পারেনি বোর্ড।

তার নেতৃত্বে ৭৮ ম্যাচে জিতেছে আফগানিস্তান। অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টি সর্বোচ্চ ৪৬ ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়ার বিশ্ব রেকর্ডও আসগরের। তবে আরেকটি বিশ্বকাপের আগেই আবার অধিনায়কত্ব হারাতে হলো তাকে। সূত্র: ক্রিকবাজ