৪-০-২২-২; এককথায় নিখুঁত বোলিং ছিল মুস্তাফিজুর রহমানের। আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে শনিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে বল হাতে এমন নৈপুণ্য দেখান বাংলাদেশি এই পেসার। চার ওভারের স্পেলে কোনো চার-ছক্কা হজম করেননি তিনি। যদিও ম্যাচটি জিতে নেয় দিল্লি। আগে ব্যাট করে নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৪ রান করে দিল্লি। জবাবে ৬ উইকেটে ১২১ রান করে রাজস্থান। তাতে ম্যাচটি ৩৩ রানে জেতে দিল্লি।

সোমবার রাত ৮টায় মুস্তাফিজদের পরবর্তী ম্যাচ। যে ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে। আগের ম্যাচেও বল হাতে খারাপ করেননি মুস্তাফিজ। স্লগ ওভারে রানের চাকা আটকান তিনি। দুবাইয়ে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে সেই ম্যাচে মুস্তাফিজ কোনো উইকেট না পেলেও দিয়েছেন ৩০ রান।

গতকালও দলের গুরুত্বপূর্ণ মূহূর্তে বল হাতে আক্রমণে আসেন মুস্তাফিজ। প্রথম ওভারেই বোলিংয়ে আসেন তিনি। পাওয়ার প্লের সময়ে ব্যাটসম্যানরা থাকেন রানের জন্য ক্ষুধার্থ। চার-ছক্কার ফরম্যাট হলে তো কথাই নেই। সেখানে যাত্রা ওভারে মুস্তাফিজ দেন মাত্র ছয় রান। এরপর ১২তম ওভারে বোলিং করতে এসে পান সাফল্য। রিশভ পান্তকে বিদায় করার এই ওভারে দেন মাত্র ৫ রান।

১৭তম ওভারে তৃতীয়বারের মতো বোলিং আক্রমণে আনা হয় মুস্তাফিজকে। এবারও হতাশ করেননি তিনি। স্লো ইয়র্কারে হেটমেয়ারকে ফাঁদে ফেলেন দারুণভাবে। সেই ওভারে দিয়েছিলেন ৪ রান। ক্রমান্বয়ে কমে আসে রান, সঙ্গে মেলে উইকেটও; কিন্তু বাউন্ডারির দেখা পাননি প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানরা। কুড়িতম ওভারে সেই মুস্তাফিজে আস্থা রাখেন রাজস্থান দলনেতা। তবু তিনি ছিলেন উজ্জ্বল। দেন মাত্র সাত রান।