১৭ অক্টোবর পাপুয়া নিউগিনি ক্রিকেট যখন মাসকটে খেলতে নামবে, তখন আবেগে তাদের কারও কারও চোখে পানি চলে আসতে পারে। কারণ ক্রিকেট বিশ্বকাপের মঞ্চে এই প্রথম যে পাপুয়া নিউগিনির জাতীয় সংগীত বাজবে! তাদের আবেগে ভাসার আরও কারণ রয়েছে। গত দু'বার যে একেবারে বিশ্বকাপের দ্বারপ্রান্তে এসে হৃদয় ভেঙেছিল তাদের। তবে অনেক সাধনায় পাওয়া সুযোগকে স্মরণীয় করে রাখতে চান পাপুয়া নিউগিনির ক্রিকেটাররা।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নামবে পাপুয়া নিউগিনি, তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ওমান। 'বি' গ্রুপে তাদের সঙ্গে আরও আছে বাংলাদেশ ও স্কটল্যান্ড। প্রথম বিশ্বকাপকে স্মরণীয় করে রাখার পাশাপাশি করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশবাসীর মুখে হাসি ফোটানোর মিশন নিয়েও নামছেন তারা।

পাপুয়া নিউগিনির অধিনায়ক আসাদ ভালার মুখে ছিল সে গর্বের স্ফূরণ, 'আমাদের জন্য ভীষণ গর্বের মুহূর্ত। অনেক দিন লেগেছে আমাদের এখানে আসতে। বেশ কয়েকবার কাছাকাছি এসে হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছে আমাদের। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলা থেকে আমরা মাত্র কয়েকদিন দূরে। রোববারের জন্য ছেলেরা মুখিয়ে আছে। করোনা মহামারির সময়ে আমাদের দেশের মানুষের জন্য এটাই অনেক কিছু। আমরা তাদের মুখে হাসি ফোটাতে চাই।'

গ্রুপে তাদের অন্যতম প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। ২১ অক্টোবর টাইগারদের মুখোমুখি হবে তারা। সে ম্যাচে তাদের যে বাংলাদেশের দুর্দান্ত স্পিন আক্রমণের সামনে পড়তে হবে, সেটাও জানেন তারা। তবে পাপুয়া নিউগিনি অধিনায়ক আসাদ ভালা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের স্পিনারদের ভয় পাচ্ছেন না তারা।

বাংলাদেশের স্পিনারদের নিয়ে তিনি বলেন, 'একটি দুর্দান্ত স্পিন আক্রমণের বিপক্ষে আমাদের খেলতে হবে। তবে এ বিষয়ে অনুশীলনে আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। এখন মাঠে নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে হবে, নিজেদের খেলাটা উপভোগ করতে হবে।'