চার-ছক্কার ক্রিকেটের দুই সুপারহিরো বিরাট কোহলি ও বাবর আজম। অন্তত এই দশকে তারাই এই রাজ্যের রাজা! ব্যাটিংয়ে সব শাখায় তাদের নামটা প্রথম সারিতে। সেটা রান বলি, ফিফটি বলি কিংবা সেরা হওয়ার কথাই বলি।

দুই তারকার এবার বিশ্বমঞ্চ দখলের পালা। রোববার দুবাইয়ে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। ক্রিকেটের হাইভোল্টেজ সেই ম্যাচের আগে তাদের নিয়ে চলছে জল্পনা। টি২০ বিশ্বকাপে এবারই প্রথম দেশের হয়ে নামবেন বাবর আজম। অন্যদিকে কোহলি এ নিয়ে চতুর্থ টি২০ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার ঝুলিটা ভারতীয় দলনেতারই সবচেয়ে ভারী। তবে পাকিস্তানের হয়ে ২০১৬ সালে টি২০-তে অভিষেক হওয়ার পর এই অঙ্গনটা নিজের করেই নিয়েছেন তিনি। সে থেকে সবচেয়ে বেশি ২২০৪ রানও বাবরের। যেখানে দুইয়ে থাকা আয়ারল্যান্ডের পল স্ট্রার্লিংয়ের রান ১৭৪৪। আর তিন নম্বরে আছেন বিরাট কোহলি। তার মোট রান ১৫০২।

ভারত-পাকিস্তান মানেই বাড়তি উন্মাদনা। ঐতিহ্যগতভাবে যাদের ক্রিকেট লড়াইটাও নেয় আগুনে রূপ। আর সেটা যদি টি২০ হয়; তাহলে তো কথাই নেই। যদিও গত কয়েক বছর ধরে দু'দলের লড়াইয়ের আগে উত্তাপ ছড়ালেও মাঠের ফয়সালা হয় অনেকটা একপেশে। টি২০-তে এখন পর্যন্ত দু'দলের মুখোমুখি আট দেখায় ছয়টিতে জয় পায় ভারত। পাকিস্তান জেতে এক ম্যাচ। বাকি এক ম্যাচ হয় টাই। এর মধ্যে বিশ্বকাপে পাঁচবারের দেখায় একবারও ভারতকে হারাতে পারেনি পাকিস্তান। সর্বশেষ ২০১৬ টি২০ বিশ্বকাপে আগে ব্যাট করে পাকিস্তান করে ৫ উইকেটে ১১৮ রান। জবাবে ১৩ বল হাতে রেখে ৪ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে ভারত। তবে সাম্প্রতিক টি২০ ফর্ম বলছে, পাকিস্তান মোটেও ছাড় দেবে না কোহলিদের। এ বছর ১৭ ম্যাচের মধ্যে আটটি জেতে পাকিস্তান। যার মধ্যে আবার দুটি ম্যাচের রেজাল্ট হয়নি।

তবে ব্যাটারদের মধ্যে আসল লড়াইটা হবে বাবর আজম আর কোহলিকে ঘিরে। দু'দলের তুরুপের তাসও হতে পারেন এই দু'জন।

এ বছর ১৭ টি২০ ম্যাচ খেলা বাবর করেছেন ৫২৩ রান। যেখানে তার স্ট্রাইক রেট ১৩২.৭৪। আর কোহলি পাঁচ ম্যাচ খেলে করেন ২৩১ রান; স্ট্রাইক রেট ১১৫.৫০। এ দিকে পাকিস্তানের বিপক্ষেও কোহলির অতীত সুখকর। ৬ টি২০ খেলে ২৫৪ রান করেছেন ভারতের দলনেতা। যেখানে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭৪ আর স্ট্রাইক রেট ১১৮.৬৯। তবে ভারতের বিপক্ষে ক্রিকেটে এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে এখনও নামা হয়নি বাবরের।