বেতন কাটায় আন্দোলনে নেমেছেন রাষ্ট্রীয় পাতাকবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলটরা। চুক্তির অতিরিক্ত কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। এ কর্মসূচির কারণে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দোহাগামী এবং সাড়ে ৭টার দুবাইগামী ফ্লাইট যথাসময়ে ঢাকা ছাড়েনি। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলট অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেছেন, দেড় বছর আগে করোনাকালে বিমানের সবার বেতন কর্তন শুরু হয়। অন্যদের আগের বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে পাইলটদের ক্ষেত্রে তা হয়নি।

গত জুলাই মাসেও পুরো বেতনের দাবিতে পাইলটরা ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছিলেন। বিমান কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে তার ধর্মঘট করেননি। বিমান ও বাপার চুক্তি অনুযায়ী, পাইলটরা মাসে আট দিন ছুটি পান। সর্বোচ্চ ৭৫ ঘণ্টা উড়োজাহাজ চালানোর কথা। বেতন কর্তনের কারণে সোমবার থেকে এরচেয়ে বেশি সময় বিমান না চালানোর কর্মসূচি পালন করছেন পাইলটরা। তবে এ বিষয়ে বিমান কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি।

করোনা মহামারিতে লকডাউনে গত বছর বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আয় বন্ধ হওয়ায় গত বছরে মে মাসে বিমান কর্তৃপক্ষ কর্মীদের বেতন ২৫ শতাংশ কমিয়ে দেয়। তবে পাইলটরা বলছেন, ২০ শতাংশ ওভারসিজ ভাতা বন্ধ হওয়ায় তাদের বেতন ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।

বিমানের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাদের চাকরির বয়স পাঁচ বছরের কম তাদের বেতন আর কাটা হবে না। তবে যাদের চাকরির বয়স পাঁচ থেকে ১০ বছর তাদের বেতন জুলাই মাস থেকে পাঁচ শতাংশ এবং যাদের চাকরিকাল ১০ বছরের বেশি তাদের ২৫ শতাংশ বেতন কাটা হবে।