নিউজিল্যান্ডে গিয়েই কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয় মুমিনুলদের। সেখান থেকে বের হয়ে সোজা ব্যাট-বল হাতে মাঠের লড়াইয়ে। সেই লড়াই শেষ হওয়ায় এখন দেশে ফেরার অপেক্ষা। কিন্তু চাইলেও তো ফেরা যায় না! সিডিউল অনুযায়ী মুশফিকুর রহিম ছাড়া বাকিদের ১৫ জানুয়ারির আগে দেশের বিমানে ওঠা হবে না। এই লম্বা সময়ে কতক্ষণই বা হোটেলে কাটানো যায়। তাই লিটনরা ছুটে বেড়াচ্ছেন ক্রাইস্টচার্চের এপাশ থেকে ওপাশে। 

মায়াবী ক্রাইস্টচার্চের মোহে নিজেদের জড়িয়ে সময়টা বেশ উপভোগ করছেন তারা। সেই স্মৃতিগুলো আবার ফ্রেমবন্দি করে জমিয়ে রাখছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালবামে। এই যেমন লিটনকে দেখা গেল হাসিমুখে মিডনাইট সাংহাই রেস্টুরেন্টের সামনে। ফুরফুরে মেজাজেই ঘুরছেন ফিরছেন তিনি।

লিটনের মন এমন ভালো থাকারই কথা। প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরির কাছ থেকে ফিরলেও দ্বিতীয় টেস্টে দেখিয়েছেন চমক। যদিও ম্যাচটা জেতেনি বাংলাদেশ। তবু ব্যক্তিগত অর্জনের পাল্লাটা অনেক ভারী তার। র‍্যাংকিংয়ে দিয়েছেন লম্বা লাফ। অথচ এর আগেও তার ঘোরাফেরার ছবি নিয়ে সমালোচনা হয়। এবার প্রশংসাই কুড়াচ্ছেন। কারণ, পারফরম্যান্সই বড় ফ্যাক্টর। অথচ এই ক্রাইস্টচার্চ ২০১৯ সালে ছিল বাংলাদেশের জন্য বিভীষিকার। আল নূর মসজিদে হামলার সেই দিনটা মনে পড়লে হয়তো আঁতকে উঠবেন মুশফিকরা।