বাংলাদেশ দলের সব ফুটবলারের দুই দোজ টিকা না থাকায় ইন্দোনেশিয়া সফর বাতিল করা হয়েছে। ২৪ ও ২৭ জানুয়ারি ইন্দোনেশিয়ার বালিতে খেলার কথা ছিল জামালদের। ফলে দুই দেশের ফেডারেশনের আসন্ন প্রীতি ম্যাচ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।

ইন্দোনেশিয়ার দাবি ছিল সকল ফুটবলার ও কর্মকর্তাদের দুই ডোজ করোনা টিকার আওতায় থাকতে হবে কিন্তু বাংলাদেশের সব ফুটবলারের দুই ডোজ করে করোনা টিকা না নেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান জাতীয় দল কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ।

এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, 'আমরা এই দুই ম্যাচ খেলার জন্য সকল প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কোচও ১৫ তারিখে চলে আসবে, স্কোয়াডও চূড়ান্ত করেছিলাম কিন্তু ইন্দোনেশিয়া থেকে বলা হয়, দলের খেলোয়াড় ও সকল কর্মকর্তাদের দুই ডোজ টিকা সম্পন্ন থাকতে হবে। কিন্তু আমাদের দলের সকল খেলোয়াড়ের দুই ডোজ টিকা নেওয়া হয়নি। ১৫ ফুটবলার দুই ডোজ নিলেও এক ডোজ নিয়েছেন সাত জন এবং ছয় ফুটবলার এখনো টিকা গ্রহণ করেনি। এর ফলে আমাদের ইন্দোনেশিয়ায় যাওয়া হচ্ছে না।'

জানুয়ারি উইন্ডোতে কোনও ম্যাচ না খেলতে পারলেও মার্চের উইন্ডোতে ম্যাচ খেলার ব্যাপারে আশাবাদী কাজী নাবিল আহমেদ। মার্চের আগেই জাতীয় দল ও অনুর্ধ্ব-২৩ দল মিলিয়ে প্রায় ৪০-৫০ জনের একটা তালিকা করে সকলকে করোনা টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানান কাজী নাবিল আহমেদ।

দুই ডোজ ভ্যাকসিন ছাড়াই বাংলাদেশ দল গত বছর নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, কিরগিজস্তান,কাতার সফর করেছে। সেই সকল দেশে বিদেশিদের ভ্যাকসিনের বাধ্যতামূলক থাকলেও ফুটবলাররা বিশেষ ছাড় পেয়েছেন। ইন্দোনেশিয়াও এমন ছাড়ের জন্য বাফুফে চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। ফলে সফরই বাতিল হলো।

গত সপ্তাহে বাংলাদেশের দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্প্যানিশ হাভিয়ের ক্যাবরেরা। ১৫ই জানুয়ারি ঢাকায় আসবেন তিনি। ইন্দোনেশিয়া সফর দিয়েই বাংলাদেশের ডাগআউটে বসার কথা ছিল তার কিন্তু এই সফর বাতিল হওয়ায় আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে এই স্প্যানিয়ার্ডকে।