কমনওয়েলথ বাছাইপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে কেনিয়ার বিপক্ষে ৮১ রানের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৮ উইকেটের দুর্দান্ত জয়ে শুরু বাঘিনীদের।

কুয়ালালামপুরের কিনরার একাডেমি ওভালে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। এরপর দাপুটে বোলিংয়ে মাত্র ১২.৪ ওভারে ৪৫ রান জড়ো করতেই কেনিয়ার সবকটি উইকেট আদায় করে নেয় টাইগ্রেস বোলাররা।

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৬ উইকেটে ৫০। তবে সপ্তম উইকেটে ঘুরে দাঁড়ায় টাইগ্রেসরা। সালমা ও রিতু গড়েন ৭৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। মেয়েদের টি-টোয়েন্টিতে এটি সপ্তম উইকেটের বিশ্বরেকর্ড। এর আগে রেকর্ডটি তাঞ্জানিয়ার দখলে ছিল। ২০১৯ সালে উগান্ডার বিপক্ষে ৭২ রানের জুটি গড়েছিলেন তাঞ্জানিয়ার মনিকা পাসকাল আর নাসারা সাইদি।  ​সালমা ৩২ বলে ৩৩ রান করেন এবং রিতু ৩৪ বলে ৩৯ রান করেন। ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান করে তারা। 

বল হাতে কেনিয়া শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন সালমা খাতুন। শূন্য রানে ফেরান ভেরোসিনা আবুগাকে। দলীয় ১২ রানে আরো দুই উইকেট হারায় কেনিয়া। কুইন্টর অ্যাবেলকে ৯ রানে সাজঘরের পথ দেখান সুরাইয়া আজমিন। পরের ওভারে রান আউট হন সিলভিয়া কিনিউয়া।

কেনিয়ার দলীয় সর্বোচ্চ রান আসে শ্যারন জুমার ব্যাট থেকে। ২০ বলে ২৪ রান করে সানজিদা আক্তার মেঘলার উইকেটে পরিণত হন এই ব্যাটার। কেনিয়ার ৬ ব্যাটার 'ডাক' মারেন, দুই অঙ্কের কোঠা ছুঁতে পারেনি ৯ ব্যাটারের কেউই।

কেনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে আরও একটি রেকর্ড গড়েছেন বাংলাদেশি বোলার নাহিদা আক্তার। এদিন বাংলাদেশের পক্ষে মাত্র ১২ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৫ উইকেট নেন তিনি। আর এটি দেশের ক্রিকেটে সেরা বোলিং ফিগার। আগের রেকর্ডটি ছিল পান্না ঘোষের। ২০১৮ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। দলের হয়ে একটি করে উইকেট লাভ করেন সালমা খাতুন, সুরাইয়া আজমিন, রুমানা আহমেদ ও সানজিদা আকতার মেঘলা।  

রোববার স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগামী সোমবার শেষ ম্যাচ খেলবে।