আফগানিস্তান সিরিজ শেষে সাকিব আল হাসান বলেছিলেন, দক্ষিণ আফ্রিকা যেতে চান না। ক্রিকেট উপভোগ করছেন না। মানসিক ও শারীরিকভাবে ফিট নন। নিজেকে দলের প্যাসেঞ্জার মনে হচ্ছে। অথচ জাতীয় দলের সঙ্গে প্যাসেঞ্জার হয়ে দীর্ঘ সময় ঘুরেছেন ইয়াসির রাব্বি।

প্রথমে টেস্ট, এরপর ওয়ানডে ও টি-২০ দলে ডাক পেয়েছেন চট্টগ্রামের ডানহাতি ব্যাটার রাব্বি। একটার পর একটা সিরিজে দলের ১৫ জনের একজন হয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরেছেন। ম্যাচ না খেলেও বায়ো-বাবলের কঠিন জীবন মুখ বুজে সহ্য করেছেন। মনে মনে নিশ্চয় গেয়েছেন, 'আপনা দিন আয়েগা।' 

সেই দিন এসেছে। মিডল অর্ডার ব্যাটার ইয়াসির রাব্বি আর প্যাসেঞ্জার নন। দলের টেস্ট-ওয়ানডে দলের নিয়মিত সদস্যে পরিণত হয়েছেন তিনি। নিউজিল্যান্ড সফরে টেস্টে ফিফটি পেয়েছেন। এবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চতুর্থ ওয়ানডে খেলতে নেমে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ফিফটি পেয়েছেন তিনি।

ম্যাচ শেষে রাব্বি জানালেন দলের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগির সুফল পাচ্ছেন তিনি, 'জয়ে অবদান রাখতে পারায় ভালো লাগছে। দলের সঙ্গে অনেক দিন ছিলাম। কীভাবে খেলতে হয়, মিশতে হয়, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ কেমন অনেক কিছু শিখেছি। আমি বলবো, ওটা আমার বেসিক শিক্ষার অধ্যায় ছিল।'

প্রোটিয়াদের হারাতে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচিং স্টাফের ভূমিকাও দেখছেন তিনি। তার মতে, হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো, পেস বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ড, পাওয়ার হিটিং কোচ অ্যালবি মরকেলের উপস্থিতি কাজে দিয়েছে তাদের। এমনকি বাংলাদেশ ড্রেসিংরুমে এবি ডি ভিলিয়ার্সের আগমণও কাজে দিয়েছে।

তিনি জানান, দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে জয় সম্ভব এই বিশ্বাস নিউজিল্যান্ড সফরে পাওয়া টেস্ট জয় থেকেই এসেছে, ‘জেতার প্রত্যাশা ছিল। নিউজিল্যান্ডকে হারানোর পর থেকেই জিতবো এটা বিশ্বাস করতে শুরু করেছে দল। সাকিবের উপস্থিতি আমাকে ব্যাট করতে সহায়তা করেছে।’