জনপ্রিয়তায় ফুটবলের ধারেকাছে আসে না ক্রিকেট। উপমহাদেশের কিছু দেশ আর গোটা দশেক দেশে চলে এই খেলা। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির নিরন্তর প্রচেষ্টা, কীভাবে ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় করা যায়, বিশ্বজনীন ক্রীড়া হিসেবে দাঁড় করানো যায়। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই চেষ্টা চলেছে অলিম্পিক্সের মঞ্চে ব্যাট-বলের অন্তর্ভুক্তির।

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলার তালিকায় ক্রিকেটকে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে অলিম্পিকে জায়গা করে নিতে হবে। শুধু তাই নয়, অলিম্পিকের দরজা যদি খুলে যায়, তা হলে সরকারি অনুদান পেতেও অসুবিধা হবে না। যে সব দেশ নতুন সদস্য, তাদের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সরকারি অনুদান খুব প্রয়োজনীয়। এই লক্ষ্য সামনে রেখেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল মিশন অলিম্পিক নিয়ে নেমেছে। অলিম্পিকে জায়গা পাওয়ার অর্থ এই নয়, আর্থিক ভাবে লাভবান হতে চাইছে আইসিসি। 

এক সাক্ষাৎকারে আইসিসির সিইও জিওফ অ্যালার্ডাইস বলেন, 'আইসিসির অধিকাংশ সদস্য অলিম্পিকের আসরে ক্রিকেটকে দেখতে চাইছে। ক্রিকেট যদি সেই সম্মান পায়, তা হলে ওই সব দেশের সরকারি অনুদান পেতে সুবিধা হবে। অলিম্পিক খেলা হিসেবে গণ্য হলে ক্রিকেটেরই লাভ হবে। আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়ার ভাবনা আমাদের নেই। বিশ্বের জনপ্রিয় খেলাগুলোর দিক থেকে দেখলে ক্রিকেট সেই জায়গায় নেই। আর তাই আমরা খেলার বাজারে ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছি।'

উপমহাদেশ ছাড়া ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরে ক্রিকেটের তেমন জনপ্রিয়তা নেই। বিশ্বের অনেক দেশই ধীরে ধীরে ক্রিকেটে পা বাড়াচ্ছে। সেই দেশগুলোর মতো যারা এখনও সদস্যপদ নেয়নি, এমন দেশগুলোকে ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হলে কিন্তু অলিম্পিকের আসরে ঢুকতে হবে।