টেস্টে শ্রীলঙ্কার বোলিং লাইনআপ ভালোই থাকে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে হাত পাকিয়েই জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পান তারা। তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে নেমে এলোমেলো হতে দেখা যায় না। লঙ্কান বর্তমান দলে চারজন আনক্যাপ ক্রিকেটার থাকলেও দুশ্চিন্তার কিছু দেখেন না অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। কারণ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন খেলোয়াড় দিয়েই প্রথম টেস্টের একাদশ সাজাতে চান তিনি। করুনারত্নের দাবি, খুব বেশি অনভিজ্ঞ ক্রিকেটার নেই দলে। নূ্যনতম ১০টি টেস্ট ম্যাচ খেলা ক্রিকেটাররাই বেশি, যাঁরা যে কোনো কন্ডিশনে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারেন।
লঙ্কান ১৮ জনের দলে উইকেটরক্ষক ব্যাটার কামিল মিশারা, স্পিন অলরাউন্ডার কামিন্দু মেন্ডিস, বাঁহাতি পেসার দিলশান মাদুশঙ্কা এবং লেগস্পিনার সুমিন্দা লাকশান টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায়। কিন্তু কারও অভিষেক হবে বলে মনে হয় না। কারণ অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার এবং বিশেষজ্ঞ বোলার রয়েছে দলে। করুনারত্নের মতে, 'খুব বেশি তরুণ ক্রিকেটার নেই। অন্তত ১০টি টেস্ট ম্যাচ খেলা ক্রিকেটারই বেশি। কোচই শুধু নতুন। আমরা ইংলিশ দলের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, সে খুব ভালো মানুষ এবং ভালো কোচ।' প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের মান ভালো থাকায় লঙ্কান তরুণ ক্রিকেটাররাও যোগ্য। বাঁহাতি স্পিনার প্রভীন জয়াভিক্রমা তার প্রমাণ। গত বছর বাংলাদেশের বিপক্ষেই অভিষেক ম্যাচে ১১ উইকেট শিকার তার। মূলত প্রভীনের কাছেই সিরিজ নির্ধরণী দ্বিতীয় টেস্ট হেরে যায় বাংলাদেশ। যদিও ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামের মতো উইকেট হবে না চট্টগ্রামে।
এই সিরিজে গেম প্ল্যান করতে বাড়তি সুবিধাও পাবে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশে লম্বা সময় কাজ করার সুবাদে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্যই দিতে পারছেন তিনি। করুনারত্নের মতে, 'নাভিদ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সঙ্গে লম্বা সময় কাজ করেছেন। তিনি কন্ডিশন সম্পর্কে ভালো জানেন। ভেতরের কিছু তথ্য আমরা পাব তাঁর কাছ থেকে। তবে প্রথম দিন থেকে পঞ্চম দিন পর্যন্ত ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে আমাদের। আমরা চট্টগ্রামে এখনও জিততে পারিনি। আমরা সে রেকর্ড পরিবর্তন করতে চাই এবং ঢাকা যেতে চাই জয়ের ছন্দ নিয়ে।' বাংলাদেশে আসার আগে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। কলম্বোর বাইরে কন্ডিশনিং ক্যাম্প করেছে। নতুন কোচ সিলভারউড ব্যাটারদের প্রস্তুত করেছেন বড় ইনিংস খেলার জন্য। করুনারত্নের বিশ্বাস, চট্টগ্রামে ভালো করবেন তাঁরা।