শ্রীলঙ্কার ৩৯৭ রানের জবাবে সাবলীল ব্যাট করছিল বাংলাদেশ। এর মধ্যেই হুট করে পেসার বিশ্ব ফার্নান্দোর কনকাশন বদলি নামালো হয় কাসুন রাজিথাকে। মাথায় বল লাগার পরে যিনি ব্যাট করেছেন, দুই দিন দুই স্পেলে বলও করেছেন চার ওভার করে।  

মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে তাই আলোচিত হয়ে উঠেছিল 'কনকাশন সাব' প্রসঙ্গ। শ্রীলঙ্কা অনৈতিক সুবিধা নিয়েছে কিনা- এমন প্রশ্ন অবশ্য বিরক্তই হলেন শ্রীলঙ্কার কোচ সিলভারউড, 'আমার মনে হয় আপনি ভুল বিষয় নিয়ে পড়ে আছেন। আমাদের সবার অগ্রাধিকার খেলোয়াড়ের শারীরিক সুস্থতা ও কল্যাণ।’

বদলির বিষয়টি পরিষ্কার করে তিনি বলেন, ‘সোমবার বিশ্ব মাথায় আঘাত পেয়েছিল। এরপর যতই দিন গড়াচ্ছিল, তার মাথা ঝিমঝিম বাড়ছিল। তার সুস্থতা নিশ্চিত করতে হতো। কাসুন ভালো বোলিং করায় ম্যাচে এর প্রতিফলন দেখা গেছে। আমরা মোটেও পরিস্থিতির ফায়দা তুলিনি।’

টেস্টের দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ের সময় শরিফুলের বল বিশ্বর হেলমেটে লাগে। এরপরও ব্যাট করে যান তিনি। চিকিৎসকও ডাকেননি মাঠে। অবশ্য চা বিরতির সময় ড্রেসিংরুমে গিয়ে মাঠে ফেরেননি। পরে শেষ ব্যাটার হিসেবে নামেন। 

  সেজন্য প্রশ্ন উঠেছে, বোলিংয়ে বিশ্ব ছন্দ না পাওয়ায় সতেজ রাজিথাকে নামিয়ে শ্রীলঙ্কা সুযোগ নিয়েছে কিনা। কারণ রাজিথা আক্রমণে এসেই মুমিনুল ও শান্তকে আউট করেন। কনকাশন বদলির প্রশ্নে বিরক্ত হলেও রাজিথার পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন সিলভার উড।