মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরির পর ৩৯ রানের লিড নিয়ে চা বিরতিতে বাংলাদেশ। মুশফিক ৯৭ রানে অপরাজিত আছেন, নাঈম খেলছেন ১ রানে। বাংলাদেশের লিড ২৯ রান। ৬ উইকেটে দলীয় স্কোর ৪২৬ রান।

মুশফিক ১০৪ রানে অপরাজিত আছেন, নাঈম খেলছেন ৪ রানে। বাংলাদেশের লিড ৩৯ রান। ৬ উইকেটে দলীয় স্কোর ৪৩৬ রান।

এর আগে লাঞ্চ থেকে ফিরে পরপর দুই বলে লিটন-তামিমকে হারায় বাংলাদেশ। সেঞ্চুরি থেকে ১২ রান দূরে ছিলেন। ৮৮ রানে সাজঘরের পথ ধরলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার লিটন। পরের বলেই বোল্ড হন তামিম ইকবাল। তিনি গতকাল রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। 

লিটন-তামিমকে হারিয়ে বেশ সাবধানী খেলছিলেন মুশফিক-সাকিব। দুজনের ব্যাটে লিড নিয়ে ৪০০ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের দলীয় স্কোর। তবে ব্যক্তিগত স্কোরকে বেশিদূর নিতে পারেননি সাকিব। ধৈর্য্য হারিয়ে অসিথার বলে ডিকওয়েলার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। সাকিব করেছেন ২৫ রান। তার বিদায়ে ভেঙে গেল ৭৩ বলে ৩৬ রানের জুটি।

৩ উইকেটে ৩১৮ রান নিয়ে আজকের খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে ২৭ ওভার খেলে অবিচ্ছিন্ন থেকেই মুশফিক-লিটন যোগ করেছেন ৬৭ রান। এ দুজনের চতুর্থ উইকেট জুটির সংগ্রহ ১৬৫ রান। যা টেস্ট ক্রিকেটে চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশের পঞ্চম সর্বোচ্চ।

এছাড়া প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুশফিকুর রহিম। চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বুধবার টেস্টের চতুর্থ দিনে রেকর্ড গড়েন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ইনিংসের ১২৩তম ওভারে  লঙ্কান পেসার অসিথা ফার্নান্দোর বলে উইকেটের পিছনে খেলে দৌড়ে ২ রান নিয়ে এই মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেন মুশফিক।

এই ৫০০০ হাজার রান পূরণ করতে মুশফিকের লেগেছে ৮১ ম্যাচ এবং ১৪৯ ইনিংস। এই মাইলফলক পূরণের পথে মুশি হাঁকিয়েছেন ২৬ ফিফটিসহ ৭ সেঞ্চুরি। পাশাপাশি তার নামের পাশে ৩টি ডাবল সেঞ্চুরিও রয়েছে। টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের মালিকও এখন মুশফিক।

মুশফিকের ঠিক পরেই পাঁচ হাজারি ক্লাবে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছেন তামিম ইকবাল। দেশসেরা এই ওপেনারের পাঁচ হাজারি ক্লাবে ঢুকতে আর মাত্র ১৯ রান প্রয়োজন।