চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ২০১৭ সালের আসরে বার্সেলোনার কাছে প্রথম লেগে ৪-০ গোলে জিতেছিল পিএসজি। পরের লেগে ৬-১ গোলে হেরেছিল। গত আসরে অবশ্য দুই লেগে ৫-২ ব্যবধানে জিতে ওই হারের শোধ নিয়েছে প্যারিসিয়ানরা। 

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি আসরে দুই লেগ মিলিয়ে পিএসজিকে শেষ ষোলোয় বিদায় করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ঘুরে দাঁড়ানোর দুর্দান্ত গল্প লিখেছে। তবে দলবদলের বাজারে রিয়াল কিংবা বার্সা ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়নি। হেরে গেছে পিএসজি কাতারি পেট্রো ডলারের কাছে। 

দলবদলের বাজারে নেইমার এবং এমবাপ্পেকে দিয়েই রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনাকে হালি গোল দিয়ে দিয়েছে পিএসজি! ২০১৭ সালের দলবদলের মৌসুমে রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে বার্সা থেকে নেইমারকে কিনে নেয় পিএসজি। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও বার্সা ও লিওনেল মেসি আটকাতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান তারকাকে। 

ওই একই বছর রিয়ালের কিলিয়ান এমবাপ্পে স্বপ্নে ধাক্কা দেয় পিএসজি। মোনাকো থেকে এমবাপ্পেকে কিনতে চেয়েছিল রিয়াল। কথা-বার্তাও এগিয়েছিল। কিন্তু মোটা অঙ্কে কেনার শর্তে ধারে মোনাকো থেকে কিলিয়ানকে দলে ভেড়ায় প্যারিসের দলটি। সে সময় অবশ্য এমবাপ্পে ২০১৮ বিশ্বকাপ সামনে রেখে নিয়মির খেলার উদ্দেশ্যে পিএসজিতে নাম লিখিয়েছিলেন। 

প্যারিসে সময় ভালো যাচ্ছিল না নেইমারের। ইনজুরি, প্রজেক্ট নিয়ে অখুশি নেইমার ২০১৯ দলবদলের মৌসুমে বার্সায় ফিরতে চেয়েছিলেন। কাতালানরাও তাকে ফিরিয়ে আনতে মুখিয়ে ছিল। মোটা অঙ্কের অর্থের প্রস্তাবও করেছিল পিএসজিকে। কিন্তু পিএসজি কোন প্রস্তাবেই সাড়া দেয়নি। শোনেনি নেইমারের আকুতি। 

এবার রিয়ালকে আবার শক দিল পিএসজি। বল পিএসজির কোর্টের বাইরে চলে গিয়েছিল। ফ্রি এজেন্টে এমবাপ্পেকে দলে ভেড়ানোর কাছে চলে এসেছিল ফ্লোরেন্তিনো পেরেজরা। কিন্তু হাল না ছাড়া পিএসজি শেষ মুহূর্তে এমবাপ্পের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেছে। পিএসজি’র প্রেসিডেন্ট নাসের আল খেলাইফি বলেছিলেন, ফ্রিতে এমবাপ্পেকে কোথাও যেতে দেবেন না। সেটাই সত্যি করে ছাড়লেন তিনি।