বাংলাদেশ দলের ম্যাচ থাকলে ব্যস্ততা দূরে রাখেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ম্যাচের পয়েন্ট ধরে ধরে কথা বলেন তিনি। কিন্তু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঢাকা টেস্ট শুরু থেকে দেখতে পারেননি তিনি। আইসিসির সভাপতি গ্রেগ বার্কলে বাংলাদেশে আসায় তাকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। 

এর মধ্যে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২৪ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। একে একে সাজঘরে ফিরে আসেন মাহমুদুল জয়, তামিম ইকবাল, মুমিনুল হক, নাজমুল শান্ত ও সাকিব আল হাসান। বিসিবি সভাপতি পাপন সংবাদ মাধ্যমকে মজা করে বলেছেন, ওই সময় মাঠে থাকলে তার হার্ট অ্যাটাক হয়ে যেত।

গ্রেগ বার্কলের বাংলাদেশ সফর নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন পাপন। ওই সময় ম্যাচ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আগে কার্ডিওলজিস্টের কাছে যাই (হাসি), কালকে কথা বলবো।’ এরপর মজা করেন তিনি বলেন, ‘ওই সময় মাঠে থাকলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে যেত। আল্লাহর রহমত, আমি ছিলাম না।’ 

পরে বিপর্যয় থেকে ২৫৩ রানের রেকর্ড জুটি গড়েছেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। দু’জনই সেঞ্চুরি করেছেন। তখন হেলিকপ্টারে ছিলেন পাপন ও বার্কলে। বোর্ড সভাপতি জানান, প্রধানমন্ত্রী তাকে এসএমএস দিয়ে লিটন-মুশির সেঞ্চুরির কথা জানান এবং তাদের অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর ক্রিকেট ভক্তি দেখে আইসিসি সভাপতিও বিস্মিত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী খেলার কী অবস্থা জিজ্ঞেস করেছেন। আমি বলেছি, “আপা খেলা দেখার সাহস নেই। মাঠে না গিয়ে খবর শুনছি না।” মাঠে এসে চমকে গেছি। মুশফিক ও লিটন যেভাবে খেলেছে বিশেষ বাহবা প্রাপ্য তাদের। ২৪ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর মুশফিক ও লিটন যেভাবে চাপ সামলেছে এটা অসাধারণ।’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিসি সভাপতির সাক্ষাত নিয়ে পাপন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত গ্রেগ চমকে গেছেন, একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী ক্রিকেট এতোটা ভালোবাসতে পারেন এটা ভেবে। উনার আজ মেডিকেল অ্যাপোয়েনমেন্ট ছিল, কিন্তু উনি আগে আইসিসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করেছেন। যখন হেলিকপ্টারে ছিলাম তখনও লিটন-মুশফিকের সেঞ্চুরির পর এসএমএস দিয়েছেন।’