আইপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ১৪ রানে হারিয়ে কোয়ালিফায়ারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। আগে ব্যাট করে রজত পতিদারের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৭ রান করে কোহলি-ডু প্লেসিদের ব্যাঙ্গালুরু। জবাবে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রানের বেশি করতে পারেনি লখনউ। এতে ১৪ রানের জয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের টিকিট নিশ্চিত করে আরসিবি। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় লখনউকে।

২০৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ডি ককের(৬) উইকেট হারায় লখনউ। এরপর মনন ভোরাকে নিয়ে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ১১ বলে ১৯ রান করে আউট হন মনন ভোরা। দিপক হুদাকে নিয়ে ৯৬ রানের জুটি গড়েন লোকেশ রাহুল। ২৬ বলে ৪৫ রান করে আউট হন হুদা। 

১৯তম ওভারে হ্যাজেলউডের বলে শাহবাজ আহমেদের হাতে ধরা পড়েন লোকেশ রাহুল। ৩ চার ও ৫ ছক্কার সাহায্যে ৫৮ বলে ৭৯ রান করে মাঠ ছাড়েন লোকেশ। লখনউ ১৮০ রানে ৫ উইকেট হারায়। এরপর কোন রান না করেই মাঠ ছাড়েন ক্রুনাল পান্ডিয়া। শেষ পর্যন্ত ১৯৩ রানেই থামতে হলো লখনৌকে। জস হ্যাজেলউড নেন ৩ উইকেট।

কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু ভালো পায়নি ব্যাঙ্গালুরু। ওপেনার ও অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসি গোল্ডেন ডাক মেরে ফিরে যান। অন্য ওপেনার বিরাট কোহলি ফিরে যান ২৪ বলে দুই চারে ২৫ রান করে। রান পাননি গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৯) ও মাহিপাল  লমরর (১৪)। 

তবে তিনে নামা রজত পতিদার এক প্রান্তে ব্যাটটাকে ‘রাম কাটারি’ বানিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করে ৫৪ বলে ১১২ রানের হার না মানা দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন। তার ব্যাট থেকে ১১ চারের পাশাপাশি দেখা যায় অসাধারণ সাতটি সেঞ্চুরি। 

পতিদারের সঙ্গে স্লগ ওভারে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন বুড়ো বয়সে এমএস ধোনির মতো ফিনিসার হয়ে ওঠা দিনেশ কার্তিক। ভারতীয় টি-২০ দলে ফেরা এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার ২৩ বলে পাঁচটি চার ও এক ছক্কায় ৩৭ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। শেষ সাত ওভারে (৬.৫) তারা যোগ করেন ৯২ রান। 

লখনউয়ের হয়ে মহসিন খান দারুণ বোলিং করেন। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৫ রানে নেন এক উইকেট। কিন্তু লঙ্কান পেসার দুশমন্ত চামিরা, ভারতীয় পেসার আবেশ খান এবং লেগ স্পিনার রবি বিষ্ণয় বেধড়ক মার খেয়েছেন। চামিরা ৪ ওভারে ৫৪ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট। আবেশ ও বিষ্ণয় যথাক্রমে ৪৪ ও ৪৫ রান দিয়ে নিয়েছেন একটি উইকেট।