বিরাট কোহলির স্বপ্নভঙ্গ। স্বপ্নভঙ্গ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুরও। আরো একবার ফাইনালে ওঠার আগেই বিদায় নিল কোহলির দল আরসিবি। বাটলারের সেঞ্চুরিতে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ৭ উইকেটে হেরে বিদায় নেয় তারা। ফাইনালে তাই ফের মুখোমুখি হচ্ছে গুজরাট ও রাজস্থান। প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজস্থানকে হারিয়েছিল গুজরাট।

গুজরাটের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান সংগ্রহ করে ব্যাঙ্গালুরু। জবাবে বাটলারের অবিশ্বাস্য শতকে ভর করে ৩ উইকেট হারিয়েই জয় তুলে নেয় রাজস্থান। চলতি আইপিএলে বাটলারের এটি চতুর্থ সেঞ্চুরি।

রান তাড়া করতে নেমে যশস্বী জশওয়াল ও জস বাটলার মিলে রাজস্থানকে ভালো শুরু এনে দেন। দুজনের জুটিতে আসে ৬১ রান। জশওয়াল ১৩ বলে ২১ রান করে বিদায় নেন। এরপর অধিনায়ক সাঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে ৫২ রানের জুটি গড়েন বাটলার। কিন্তু জুটিতে স্যামসনের অবদান ২১ বলে ২৩ রান। সেখান থেকে দেবদূত পাড্ডিকালকে নিয়ে দলীয় সংগ্রহকে ১৪৮ পর্যন্ত টেনে নেন বাটলার। পাড্ডিকাল ফেরেন ৯ রান করে। বাটলারকে অবশ্য আউট করা যায়নি। তিনি ৮৬ মিনিটে ক্রিজে থেকে ৬০ বল মোকাবিলা করে ১০টি চার ও ৬ ছক্কায় ১০৬ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে এবং ফাইনালে তুলে মাঠ ছাড়েন।

এর মধ্য দিয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন আইপিএলের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক বিরাট কোহলির নামের পাশে। ২০১৬ সালে এই কীর্তি গড়ে এতদিন পর্যন্ত এককভাবে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন কোহলি।

এর আগে টস জিতে এদিন প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রাজস্থান রয়্যালস। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান জড়ো করে। ফাফ ডু প্লেসি ২৫ রান করতে খেলেন ২৭ বল। বিরাট কোহলি ৮ বলে করেন ৭ রান। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান রজত পতিদারই শেষপর্যন্ত হাল ধরেন দলের। ৪২ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকিয়ে ৫৮ রান করেন তিনি। এছাড়া ১৩ বলে ২৪ রান করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

রাজস্থান রয়্যালসের পক্ষে তিনটি করে উইকেট শিকার করেন প্রসিধ কৃষ্ণ ও ওবেদ ম্যাকয়। এছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেন ট্রেন্ট বোল্ট ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন।