জাতীয় দলের বিদেশ সফরে ব্যয় সংকোচনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করে ফেলেছে বিসিবি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টেস্ট দল সীমিত করা হয়েছে ১৫ সদস্যে। চোট নিয়ে সফর থেকে ছিটকে যাওয়া পেসার শহিদুল ইসলামের বিকল্প নেওয়া হচ্ছে না। জাতীয় দল নির্বাচকরা হাসান মাহমুদকে পঞ্চম পেসার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইলেও ব্যয় সংকোচন নীতির কারণে সেটা হচ্ছে না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসবান্ধব কন্ডিশনেও তাই চার পেসার নিয়ে যেতে হচ্ছে। কেউ একজন চোটে পড়লে ঝুঁকিতে পড়তে পারে দল।

এবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও রেজাউর রহমান রাজাকে নিয়ে এখন টেস্টের পেস বোলিং ইউনিট। টেস্টের মতো ওয়ানডে এবং টি২০ দলের খেলোয়াড়ও কমতে পারে। ঘোষিত ওয়ানডে দলে ১৭ জনকে রাখা হয়েছে। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে নিয়ে পাঁচজন পেসার স্কোয়াডে। ১৫ জনের দল বানাতে হলে দু'জন কমাতে হবে। সেক্ষেত্রে টেস্ট খেলে দেশে ফিরতে হতে পারে এবাদতকে। টি২০ স্কোয়াড ১৫ জনের। এখানে পরিবর্তনের কিছু নেই।

বিদেশ সফরের বহর ছোট করতে গিয়ে কেটে দেওয়া হয়েছে দুই অফিসিয়ালের নাম। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাওয়া হচ্ছে না। মিডিয়া ম্যানেজার রাবীদ ইমামকেও বাদ দেওয়া হয়েছে।

তবে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে হাত দেয়নি বিসিবি। ম্যাসাজ ম্যান এবং দল সহকারী হিসেবে একজন করে থাকছেন প্রথম থেকেই। বিদেশ সফরে এই দু'জনের সার্ভিস খুব প্রয়োজন বলে জানায় বিসিবি। কোচিং স্টাফ আগের মতোই থাকছে। প্রতিটি দল থেকে এক-দু'জন করে সদস্য কমালেও বেশ সাশ্রয় হবে। কারণ দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফ মিলিয়ে ২৫ জনের খরচ বহন করবে স্বাগতিক বোর্ড। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত সদস্যদের যাবতীয় খরচ দিতে হতো বিসিবিকেই।