দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের শেষ টেস্টের আগে ইনজুরিতে পড়েন তাসকিন আহমেদ এবং শরিফুল ইসলাম। ওই সিরিজের পর শরিফুল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছিলেন চট্টগ্রাম টেস্টে। দু’জন আবার মিস করছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ। তবে টি-২০ ও ওয়ানডে সিরিজে ফেরার প্রস্তুতি শুরু করেছেন তারা। 

রোববার প্রথম বোলিং শুরু করেছেন বাঁ-হাতি দীর্ঘদেহি পেসার শরিফুল। প্রথমদিনই তিনি ৬০-৭০ ভাগ রিদমে বোলিং করতে পেরেছেন। দ্রুতই পুরোপুরে রিদমে ফেরার ব্যাপারে আশাবাদী সর্বশেষ সিরিজগুলোতে লাইন-লেন্থ মেনে দারুণ বোলিং করা এই পেসার। তাসকিন বোলিংয়ে ফিরেছেন আরও আগে। তিনি শতভাগ রিদমে ফেরার কাছাকাছি। 

সংবাদ মাধ্যম ক্রিকবাজকে শরিফুল বলেছেন, ‘আজ বোলিং অনুশীলন শুরু করলাম। ছয় ওভার বোলিং করেছি। ৬০-৭০ ভাগ রিদমে বোলিং করতে পেরেছি বলে মনে হয়েছে। আশা করছি এক সপ্তাহের মধ্যে পুরো রিদমে ফিরতে পারবো।’

শরিফুলের চেয়ে তাসকিনের ইনজুরি ছিল গুরুতর। লন্ডন থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এসেছেন তিনি। তাকে ‘ধীরে চলো নীতিতে’ এগোতে হচ্ছে। ডানহাতি এই পেসার ব্যথা অনুভব না করলেও বেশি ওভার বোলিং করছেন না, ‘আমি একদিন চার ওভার অন্যদিক আট ওভার করে বোলিং করছি। সাদা বলের সিরিজের জন্য প্রস্তুত হতে এটাই ফিজিও’র পরামর্শ। কোন ব্যথা অনুভব করছি না। পুরো রিদম নিয়েই ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।’ 

জুলাইয়ের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ২৩ জুন টি-২০ সিরিজের জন্য দেশ ছাড়বেন ক্রিকেটাররা। তাসকিনকে সংক্ষিপ্ত সংস্করণের ফরম্যাটে যুক্ত করার ব্যাপারে আশাবাদী বিসিবির নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। তিনি ক্রিকবাজকে বলেছেন, ‘দল ঘোষণার সময়ই বলেছিলাম, ফিট হলে তাসকিন অটোমেটিক দলে যুক্ত হয়ে যাবে।’ 

বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আগামী ১৬ জুন দুই টেস্টের সিরিজের প্রথম প্রথমটি খেলতে নামবে। দ্বিতীয় টেস্ট মাঠে গড়াবে আগামী ২৪ জুন। ডমিনিকায় ২ ও ৩ জুলাই প্রথম দুই টি-২০ এবং গায়ানায় ৭ জুলাই মাঠে গড়াবে শেষ টি-২০ ম্যাচ। এরপর ১০ জুলাই শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ। ১৩ ও ১৬ জুলাই শেষ দুই ম্যাচ খেলে দেশ ফিরবেন ক্রিকেটাররা।