মুশফিকুর রহিমের ছুটি দারুণ সুযোগ হয়ে এসেছিল ইয়াসির আলী রাব্বির জন্য। লোয়ার মিডলঅর্ডার থেকে প্রমোশন নিয়ে খেলতে পারতেন পাঁচ নম্বরে। চোটে পড়ায় হাতছাড়া হয়ে গেল রাব্বির এই সুযোগ। পিঠের ব্যথার কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলা হবে না তার।

ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লিউআই) প্রেসিডেন্ট একাদশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সময় ইয়াসির আলী রাব্বির পিঠে টান পড়েছিল। ৩৯ বলে ১১ রান করে স্বেচ্ছায় অবসরে গিয়েছিলেন ইয়াসির। পরে আর ব্যাটিংয়ে নামেননি। মূলত পিঠের ব্যথার (ব্যাক পেইন) কারণে রিটায়ার্ড হার্ট হয়েছিলেন ইয়াসির।

ইয়াসিরের ছিটকে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ দলের ফিজিও বায়েজিদ ইসলাম। তিনি জানান, 'গত ১০ তারিখ থেকে ইয়াসির আলী পিঠের চোটে ভুগতেছিল। আমরা পরবর্তিতে এমআরআই করিয়েছি। এই ধরনের চোট থেকে সেরে উঠতে সাধারণত ২-৩ সপ্তাহ সময় লাগে। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজে টেস্ট সিরিজে ইয়াসির খেলতে পারবে না।'

ইয়াসির না থাকায় একাদশে ফিরতে পারেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান বা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দু'জনই লোয়ার মিডলঅর্ডারে ব্যাট করেন। লিটন কুমার দাস বা সাকিব আল হাসানকে খেলানো হতে পারে ব্যাটিং অর্ডারের পাঁচ বা ছয়ে। সাত নম্বরে মোসাদ্দেকের চেয়ে সোহান এগিয়ে থাকবেন। 

টেস্টের ব্যাটিং অর্ডার একটু বড় রাখে বাংলাদেশ। সাকিব থাকলে ব্যাটিং লাইনআপ লম্বা হয় সাত নম্বর পর্যন্ত। তিন পেসারের সঙ্গে অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে সাজানো হবে বোলিং লাইনআপ। সাকিব থাকায় টেস্টে সাত ব্যাটারের সঙ্গে পাঁচজন বোলারও পাবে বাংলাদেশ। তবে টিম ম্যানেজমেন্টের চ্যালেঞ্জ তিনজন পেসার বেছে নেওয়া।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশের মধ্যকার দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট অ্যান্টিগায় শুরু হবে ১৬ জুন থেকে। দ্বিতীয় টেস্ট লুসিয়ায়, ২৪ জুন থেকে। এরপর ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজও খেলবে দুদল।