ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড দ্বৈরথ বেশ পুরোনো। টেস্টে যারা প্রথম দ্বিপক্ষীয় সিরিজে মুখোমুখি হয়েছিল ১৯৩০ সালে। চার ম্যাচের সিরিজে অংশ নিতে সেবার ইংল্যান্ড দল যায় নিউজিল্যান্ড সফরে। ওই সিরিজটিতে একটি ম্যাচের কেবল ফয়সালা হয়। বাকি তিনটিই হয় ড্র। 

শুরুর দিকের সিরিজের এমন হাড্ডহাড্ডি লড়াইয়ের দেখা মিললেও বর্তমানে সেটা একপেশে। চলমান তিন ম্যাচের সিরিজে এরই মধ্যে দুটিতে জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ড। আজ হেডিংলিতে তৃতীয় টেস্টে মুখোমুখি হবে দুই দল। যেখানে ইংল্যান্ড জিতলে হোয়াইটওয়াশের সপ্তম চূড়ায় উঠে যাবে তারা। 

অর্থাৎ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যেটা হবে তাদের টেস্টে সিরিজের সাত নম্বর হোয়াইটওয়াশ। এর আগে ছয়বার কিউইদের টেস্টে হোয়াইটওয়াশ করেছিল ইংল্যান্ড।

সর্বপ্রথম দ্বিপক্ষীয় টেস্ট সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে তারা হোয়াইটওয়াশ করে ১৯৫৫ সালে। সেবার দুই ম্যাচের সিরিজে একটিও হারেনি। আর সর্বশেষ হোয়াইটওয়াশ ২০১৩ সালে। নিউজিল্যান্ড দল ইংল্যান্ডের মাটিতে খেলতে এসে ২-০-তে হোয়াইটওয়াশ হয়ে যায়। আজ আরেকটা সুযোগ। নিউজিল্যান্ড চাইছে এই লজ্জার রেকর্ড যাতে না হয়। অন্তত শেষ ম্যাচটা জিতে সান্ত্বনা নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারে।

শেষ ম্যাচে এসে বোলিং নিয়ে কিছুটা চিন্তায়ই পড়ে গেল ইংল্যান্ড। আগের দুই ম্যাচে দারুণ বোলিং করা জেমস অ্যান্ডারসনকে পাচ্ছে না ইংল্যান্ড। চোটের কারণে ছিটকে গেছেন দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নেওয়া জিমি। তাঁর বদলে একাদশে দেখা মিলতে পারে জেমি ওভারটনকে। জাতীয় দলের হয়ে তিনি প্রথম টেস্ট ক্যাপ পেতে যাচ্ছেন।