দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আল হাসান বলেছিলেন, বিসিবি এখন থেকে সিদ্ধান্ত নেবে কোন সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হবে তাঁকে। সেদিক থেকে দেখলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ থেকে সাকিবের ছুটি চাওয়ার কথা নয়। কিন্তু তিনি চেয়ে রেখেছেন সফরের আগেই।

ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজটি বিশ্বকাপ সুপার লিগের খেলা না হওয়ায় বিশ্রাম চেয়েছেন টেস্ট অধিনায়ক। 

বুধবার বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানান, মৌখিকভাবে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুসকে জানিয়ে রেখেছেন ওয়ানডে সিরিজ খেলা হবে না সাকিবের। 

এর পরও তাকে ওয়ানডে দলে রাখা হয় বিতর্ক এড়াতে। টি২০ সিরিজ শেষ হলে বোর্ডের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হবে- সাকিবকে বিশ্রাম দেওয়া হলো।

সাকিবের ছুটি ইস্যুতে পাপন বলেন, 'আমি এটা শুনেছি, ও জালাল ভাইকে বলেছে, ওয়ানডে সিরিজ নাও খেলতে পারে। আগেই বলে গেছে। ও এখন পর্যন্ত বোর্ডে আর এটা নিয়ে কথা বলেনি। আজ-কাল ওর সঙ্গে কথা বললেই আমি বুঝতে পারব। তবে ওটা (জালাল ইউনুসকে মৌখিকভাবে জানানো) আনুষ্ঠানিক ধরতেও পারেন।'

অনেক দেশই সিনিয়র ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দিয়ে খেলায়। সাকিব এই রোটেশন পদ্ধতির কথা পাঁচ বছর আগে থেকেই বলে আসছেন। বিসিবি সেটা ধীরে ধীরে বাস্তবায়নও করছে। সিনিয়রদের বিশ্রাম নিয়ে বোর্ড সভাপতির মতামত হলো, 'যে সিরিজগুলো র‌্যাঙ্কিংয়ের অংশ নয়, সেসব জায়গায় সিনিয়র ক্রিকেটাররা যদি ছুটি চায় তাহলে ভালো। এমনিতে আমরাও নতুন ছেলেদের সুযোগ করে দেওয়ার সুযোগ পাই। আগে জানতে হবে ওদের জায়গায় খেলোয়াড় আছে কিনা? আমাদের ভাবনায় আছে, ওদের একটু বিরতি দরকার। কীভাবে দেব, তা নিয়ে ভাবছি।’

টি-২০ বিশ্বকাপের আগে বিকল্প খেলোয়াড়দের দেখে নিতে জিম্বাবুয়ে সফরে সিনিয়রদের বিশ্রাম দিতে চায় বোর্ড। সিনিয়রদের এ বার্তাও দেওয়া হয়েছে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ থেকে। বোর্ডের এই কৌশলকে স্বাগত জানিয়েছেন সাকিব। তিনি মনে করেন, দেশের ক্রিকেটের স্বার্থেই সিনিয়রদের মাঝেমধ্যে বিশ্রাম দিয়ে তরুণদের খেলার সুযোগ করে দিলে ভালো। তাতে সিনিয়রদের অবসরের পর শূন্যতা থাকবে না।