লাল বলের সিরিজে হারের ধাক্কা সাদা বলের ক্রিকেট দিয়ে কাটিয়ে উঠতে হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। শনিবার টি-২০ দিয়ে ওই পরীক্ষা শুরু লিটন-আফিফদের। টাইগার ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্স আশা করছেন, সাদা বলে দল ভালো ক্রিকেট খেলবে এবং ঘুরে দাঁড়াবে। 

টি-২০ সিরিজ নিয়ে সিডন্স সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘এখন আমরা টি-২০ সিরিজে ফোকাস করছি। ক্রিকেটাররা ভালো অনুশীলন করেছে। যদিও প্রস্তুতির তেমন সময় পাইনি। দলে ভালো কিছু ক্রিকেটার আছে। এই দলটাকে আমরা এশিয়া কাপ ও টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত করছি। বাংলাদেশের স্টাইলে ও ক্রিকেট দর্শনে আমরা উন্নতি আনতে চাই।’  

টি-২০ এখন পাওয়ার হিটিংয়ের খেলা হয়ে গেছে। জস বাটলার-জনি বেয়ারস্টো, ম্যাক্সওয়েল-ঋষভ পান্তরা সংক্ষিপ্ত সংস্করণের ক্রিকেট অন্য পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। কিন্তু বাংলাদেশে তেমন বড় শট খেলার ক্রিকেটার নেই। সিডন্স মনে করেন, এটা জাতিগত ব্যাপার। ওসব নিয়ে না ভেবে নিজেদের স্টাইলে ভালো ক্রিকেট খেলা দরকার। 

তিনি বলেন, ‘জাতি হিসেবে আমাদের বড় বড় ক্রিকেটার নেই। জস বাটলারকে দেখতে বড়, ওভারে দুটো-তিনটা ছক্কাও মারতে পারেন। ম্যাক্সওয়েল-স্টইনিস বড়-সড় মানুষ। আমাদেরও পাওয়ার হিটিংয়ে মনোযোগ দিতে হবে। সঙ্গে ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। জিততে হলে আমাদের অনেক বড় স্কোর দরকার বলে মনে করি না। কারণ আমাদের বোলিং লাইনআপ ভালো।’

টাইগার ব্যাটারদের পাওয়ার হিটিংয়ের সঙ্গে ডাবল-সিঙ্গেল নেওয়ায়ও ঘাটতি আছে। যদিও সিডন্স মনে করেন, সিঙ্গেল নিয়ে আজকাল টি-২০ জেতা যায় না। এছাড়া অনেক দেশের পাওয়ার হিটিং কোচও আছে। বাংলাদেশের সেটা না থাকলেও দ্বিতীয় মেয়াদে টাইগারদের দায়িত্ব নেওয়া সিডন্স মনে করেন, পাওয়ার হিটিং শেখানোর টেকনিক তারও আছে। 

তিনি বলেন, ‘হিটিং স্কিল শেখানোর জন্য অনেকগুলো সেশন দরকার। আমরা এরই মধ্যে পাঁচটি সেশন করেছি। এখন আমরা ম্যাচের জন্য প্রস্তুত নিচ্ছি। ম্যাচ বা সিরিজের মধ্যে টেকনিক পরিবর্তন করা যায় না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ক্রিকেটার পরিবর্তন করেও লাভ হয় না। দলে তিনজন সিনিয়র ক্রিকেটার আছেন, অন্যরা সিনিয়র হলে এই দল ভালো করবে।’