ক’দিন আগে ওয়াকার ইউনূসের ওপর তোপ দেগেছেন পাকিস্তানের ওপেনার আহমেদ শেহজাদ। তিনি অভিযোগ এনেছেন, তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিয়েছেন তৎকালীন পাকিস্তান কোচ ওয়াকার। এবার পাকিস্তানের আরেক ক্রিকেটার কিংবদন্তি পেসারের বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ আনলেন। 

ওই ক্রিকেটারের নাম রমিজ রাজা জুনিয়র। ৩৪ বছর বসয়ী এই ক্রিকেটা করাচির হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেন। তবে ২০১১ সালে ওয়াকারের অধীনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি টি-২০ খেলেছিলেন ডানহাতি অফ স্পিন অলরাউন্ডার। 

এরপর জাতীয় দলেন কোন পর্যায়ে দলেই ডাকা হয়নি তাকে। ওই ঘটনা নিয়ে রজিম জুনিয়র পাকিস্তানের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘জাতীয় দলের সঙ্গে একমাত্র আন্তর্জাতিক ট্যুরে ভয়াবহ বাজে ব্যবহারের স্বীকার হয়েছি। করাচির ক্রিকেটার বলে আমার সঙ্গে ওয়াকার খুবই বাজে ব্যবহার করেছেন। তার ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে আমি সিরিজের মধ্যেই দেশে ফিরতে চেয়েছিলাম।’ 

রজিম জুনিয়র অবশ্য গায়ের রঙ নিয়ে নয় বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন ভাষার কারণে।  তিনি দাবি করেছেন, জাতীয় দলের সঙ্গে থাকতে হলে তাকে পাঞ্জাবি শিখতে বলা হয়, ‘দলে টিকতে হলে তিনি (ওয়াকার) আমাকে পাঞ্জাবি ভাষা শিখতে বলেন। কারণ টিম মিটিং হতো পাঞ্জাবিতে। একবার সোহেল ভাইয়ের সঙ্গে (করাচি ক্রিকেটার) অনুশীলন করার কথা বললে, উনি বলেন- এটা করাচি টিম না।’ 

এর আগে শেহজাদ বলেছেন, ওয়াকারের কারণে তার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে। মারকুটে ওই ওপেনারের দাবি, কোচের পক্ষ থেকে বোর্ডের কাছে তার বিরুদ্ধে বাজে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। যেটি ছিল শৃঙ্খলা ভঙ্কের অভিযোগ। যে কারণে তাকে বোর্ড দল থেকে বাদ দেয়। 

পাকিস্তানের হয়ে প্রায় আটশ’ উইকেট নেওয়া ওয়াকার ২০১৬ টি-২০ বিশ্বকাপের পরে হেড কোচের দায়িত্ব ছাড়েন। সেবার পাকিস্তান টি-২০ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলতে পারেনি। ওই ব্যর্থতার কারণে শহীদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ হাফিজককে দায়ী করে বোর্ডকে চিঠি দিয়েছিলেন তিনি। ওই রিপোর্ট সংবাদ মাধ্যমের কাছে ফাঁস হয়ে গিয়েছিল।