ডমিনিকা থেকে গায়ানা, উত্তর থেকে প্রায় দক্ষিণ আমেরিকা। এবার আর কাউকে সমুদ্রযাত্রা করতে হয়নি। তবে ছোট ফ্লাইটে সেন্ট লুসিয়া আর বার্বাডোজ হয়ে কয়েক দফায় বিরতি দিতে হয়েছে। লম্বা ভ্রমণ শেষে এ মুহূর্তে গায়ানায় বাংলাদেশ দল।

আটলান্টিক পাড়ি দেওয়া ছাড়া এবারের ক্যারিবীয় সফরে এখন পর্যন্ত দাগ কাটার মতো কোনো স্মৃতিই নেই টাইগারদের। টেস্টে বাজে হারের পর দুটি টি২০-তেও দলের সেই হতশ্রী চেহারা। হতাশার পারদ প্রতি ম্যাচেই চড়ছে। সেখানে দাঁড়িয়ে গায়ানায় কাল তৃতীয় ম্যাচে কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা। 

অধিনায়কের কথা মেনে নিলে খুব বেশি আশা না দেখাই ভালো। ‘সবসময় খেয়াল করে দেখবেন, কোনো সিরিজের প্রথম বা দ্বিতীয় ম্যাচে যদি আমরা ভালো খেলি, তাহলে অনেক উজ্জীবিত থাকি ও সিরিজ এগিয়ে নিতে পারি। অনেক সময় যদি পিছিয়ে থাকি... আমি বলছি না, তাহলে পারব না। তবে শুরুটা ভালো হলে আমাদের বাড়তি সুবিধা দেয়।’ ডমিনিকায় দ্বিতীয় টি২০ হারার পর অধিনায়কের মন্তব্য ছিল এমনই।

তবে চারপাশে হতাশার মাঝেও কিছু স্মৃতি হয়তো তাঁকে মনের জোর দিতে পারে। গায়ানার এই প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামটিতে এখন পর্যন্ত কোনো টেস্ট কিংবা টি২০ খেলেনি বাংলাদেশ দল। তবে তিনটি ওয়ানডে খেলার ইতিহাস আছে তাদের। যার মধ্যে প্রথমটিতেই জয় রয়েছে টাইগারদের। 

২০০৭ বিশ্বকাপে এই মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল হাবিবুল বাশারের দল। প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৫১ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। তাড়া করতে নেমে প্রোটিয়ারা অলআউট হয়েছিল ১৮৪ রানে। সেই ম্যাচ খেলা সাকিব আল হাসান আর তামিম ইকবাল বর্তমান দলের সঙ্গেও রয়েছেন। যদিও টি২০ স্কোয়াডে নেই তামিম, তবে এই মাঠে ওয়ানডে সিরিজ তিনি খেলতে নামবেন। 

যদিও প্রায় পনেরো বছর আগের সেই সুখস্মৃতি এখনকার বাস্তবতার সঙ্গে যায় না। কেননা, তারপর সর্বশেষ ২০১৮ সালের সফরে উইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি ওয়ানডেতেই হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। তার পরও হয়তো টিম মিটিংয়ে ওই জয়টির কথা বলেই কোচ অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করবেন রিয়াদদের।