কমনওয়েলথে বাংলাদেশের প্রাপ্তি বলতে দুই স্বর্ণ, চার রৌপ্য আর দুই ব্রোঞ্চ। সব মিলিয়ে আটটি পদক। এই আটের মধ্যে সবচেয়ে রাজসিক দুই স্বর্ণ এসেছিল শুটিং ইভেন্ট থেকে। ১৯৯০ অকল্যান্ডে একটি, ২০০২ ম্যানচেস্টারে আরেকটি। আতিকুর রহমান, আবদুস সাত্তার, আসিফ হোসেনদের পরও এই শুটিং থেকে আলোর দেখা পায় বাংলাদেশ।

হতাশার কথা হলো, এবার নেই শুটিং, তাই বাংলাদেশের আশার সুতোয় ভালোই লেগেছে টান। যদি আরচারিও থাকত তাহলে বাড়ত সম্ভাবনা; কিন্তু প্রিয় দুই ইভেন্টের একটিও নেই বার্মিংহামে। কিন্তু আগের আসরগুলোর তুলনায় এবারের বহরটা ভালোই লম্বা।

২৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া কমনওয়েলথ গেমসের সাতটি ডিসিপ্লিনে এবার অংশ নেবে বাংলাদেশ। যার জন্য ২৯ জন ক্রীড়াবিদ ও ২১ জন অফিসিয়াল মিলিয়ে মোট ৫০ জনের বহর থাকবে ইংল্যান্ডের মাটিতে। তাঁদের সবার মুখেই হাসি, তবে সেই হাসি বড় কোনো পদক জয়ের সম্ভাবনার নয়, নিজের সেরাটা দেওয়ার।

বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের বড় একটি অংশ গত সোমবার রাতেই ঢাকা ছাড়ে। সোমবার বার্মিংহামে যাওয়া ক্রীড়াবিদরা হলেন- মোহতাসিন আহমেদ হৃদয়, রিফাত মাহমুদ সাব্বির, মুফরাদুল খায়ের হামজা, রামহীম রিয়ন বুম, সোনাম সুলতানা সোমা ও সাদিয়া রহমান মৌ (টেবিল টেনিস ), হোসেন আলী, সুর কৃষ্ণ চাকমা ও সেলিম হোসেন (বক্সার), শিশির আহমেদ ও আবু সাইদ রাফি (জিমন্যাস্ট), আসিফ রেজা, সুকুমার রাজবংশী, সোনিয়া খাতুন, মাহমুদুন নবী নাহিদ ও মরিয়ম আক্তার (সাঁতারু), মারজিয়া আক্তার ইকরা, মাবিয়া আক্তার, মনিরা কাজী ও আশিকুর রহমান (ভারোত্তোলক)।